কোন নারীর যদি সিরিয়াসসি তালাক বা ডিভোর্স হয়ে যায় এবং সেই নারীর যদি অন্যকোন পুরুষের সাথে দ্বিতিয় বিয়ে হয় আর যদি প্রথম স্বামী তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে আবার ফিরিয়ে আনতে চায় তাহলে উক্ত নারী তার দ্বিতীয় স্বামীকে তালাকের মাধ্যমে পরিত্যাগ করে প্রথম স্বামীকে নতুন করে বিয়ে করাকে ধর্ষক নারীপিপাসু মাগীবাজ এজিদের দল মোল্লারা নাম দিয়েছে হিল্লা বিয়ে, যাতে কোন নারীর ডিভোর্স হয়ে গেলে ধর্মের দোহাই দিয়ে ডিভোর্সি নারীকে দুই একরাত উৎসব করে ভোগ করতে পারে।
আর এই অসহায় বিপদগ্রস্ত নারীদেরকে ভাগাভাগি করে ভোগ করবার জন্যেই মোল্লার দল নারীদের বিরুদ্ধে হাজার-হাজার জাল হাদিস নাজেল করিয়ে নিছে।
এই লেবাসধারী কওমে লুত বলৎকারবাহিনীকে কোরান থেকে একটা রেফারেন্স দিতে বলেন, দেখি এদের সোগায় কতো দম ।
পুনশ্চ: নিচের এই এজিদের বাচ্চা রাতে মসজিদে বসে নিজের সাথে নিজেই হিল্লা বিয়ে পড়িয়ে সাথে সাথেই ঐ নারীকে মসজিদের ভেতরে কয়েকবার ধর্ষন করার পর তালাক দিয়েছে।
অতএব, কওমে লুত বলৎকার বাহিনী উৎসব করে অসহায় নিরুপায় তালাকপ্রাপ্ত নারীকে ভোগ করার যেই ফর্মুলা আবিস্কার করেছে, আর যারা এই লুত বাহিনীর নারীভোগী আবিস্কারকে ধর্মের নামে বিশ্বাস করে মোল্লাদের মাগিবাজীতে উৎসাহিত করছে, তারাও বর্বর জাহিল মূর্খ ইতর সম্প্রদায়,। .
-Naz Zain








