যাকে নিয়ে আজ লিখব। তার নাম তফছির আহম্মদ কালু মুন্সি।জম্ম কবে জানিনা।তবে মৃত্য টা জানি।রাজনীতিতে ছাত্রদল,যুব দল,বিএনপি।সব কয়টা সিড়ি অতিক্রম করছেন। ১৯৭৯সাল মেজর জিয়াউর রহমানের লক্ষ্মীপুর সফর। তখন অধ্যাপক চৌধুরী খুরশিদ আলম সাহের লক্ষ্মীপুর বিএনপির সভাপতি। নাম তার কালুমুন্সি।কুচকুচে কালো মুখের ভাষা এক মধুর বালটি।কথা শুনলে শত্রুু ও বন্ধু হয়ে যেত। উত্তর ষ্টেশন।জিয়াউর রহমান সেনাবাহীনির জিপে রায়পুর যাচ্চেন। (আমাদের ইখতিয়ার উদ্দীন বখতিয়ার খিলজি) মানে কালুমুন্সি জিপের সামনে দাড়িয়ে গেলেন।সে কি দূরদান্ত সাহস। জিয়াউর রহমান জিপ থেকে নামলেন শান্ত ভাবে জিঞ্জেস করলেন।এ ছেলে কি চাও।উত্তর এল আপনার সাথে কাজ করতে চাই।জিয়াউর রহমান পিটে একটা থাপ্পড় দিয়ে বললেন পারবে তো সৎ থাকতে।বলল পারবো। সে, থেকে হয়ে গেলেন জিয়ার রহমান এর হাতে গড়া দল বিএনপির কালু মুন্সি। যিনি আমৃত্য দলের জন্য সৎ নিবেদিত ছিলেন।১৯৮২ সালে ৩০ মে জিয়াউর রহমন কে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে একদল উচ্ছ বিলাসী সেনা সদস্য রা নির্মম ভাবে খুন করে।কালু কিন্ত কালুই থেকে যায়। দল বিপদে স্বৈরসাশক এরশাদ ক্ষমতা নিয়ে নিলেন।দলে ভাঙ্গন এল।অনেক জাতীয় নেতা দল ছেড়ে এরশাদের সাথে যোগ দিল।কালু রয়েগেল জনতার কালুমুন্সি হয়ে। দীর্ঘ স্বৈরাচার বিরুদী আন্দোলন,মামলা হামলা সহয্য করে এল ৯০এর স্বৈরাচার হটাও আন্দোলন কালু আমাদের সাথে নিয়ে কোথায় কি করতে হবে সব করলেন।রাতে শেয়ার বাড়ীর সুপারীর বাগান দিনে আন্দোলন এমন ভাবে কাটতে লাগলো কালুর জীবন। আন্দোলনে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হল।নির্বাচন হল দল ক্ষমতা একদিন কালুর সাথে ঢাকা গেলাম কালু নিয়ে গেল গয়েশ্বর চন্দ্র বাবুর বাসা।তিনি তখন মন্ত্রী। বৌদি বললেন এ গয়েশ্বর তোমার মেহমান আসছে বাসা বাজার নেই।কথা শুনে বুজলাম।যা বুজার।কালু আমাদের নিয়ে চলে এলেন।বিকালে মেডামের সাথে দেখা করবেন।করলেন।পরদিন পল্টনে জন সভা।কালু তখন বিএনপির লক্ষ্মীপুর জেলার সাধারন সম্পাদক।আর কর্নেল অলী আহম্মদ সাহেব যোগাযোগ মন্ত্রী। পল্টনের জন সভা কালু বক্তৃতা করবেন।নাম আগ থেকে সিলেক্ট করা।কালু একটু পিছটান দিলেন মেডাম খোজতে লাগলো আমার কালু কোথায়। আমরা আগে বাগে গিয়ে সামনে জায়গা দখল করলাম। এবার স্টেজে এল কালু। শুরু করলেন।মেডাম সহ সবাই কে সম্মোধন কর রসালো বক্তৃতা।,”বল্লেন মেডাম আপনার পাশে থাকে ফালু আর আমরা রাস্তা থাকি কালু, মেডাম কর্নেল অলি সাহেব যোগাযোগ মন্ত্রী ওনার বার্থরুমের রাস্তা পযন্ত পাকা।আর আমাদের ভোলা বরিশাল লক্ষ্মীপুর সড়কের ইট পযন্ত পালানো হয়নি। মেডাম আপনি ছিলেন সেনাপ্রধানে স্ত্রী।ছিলেন স্বাধিনতা ঘোষকে,র স্ত্রী ছিলেন গৃহিনী, আমরা আপনাকে ঘরথেকে রাস্তা এনে বানিয়েছি আপোষহীন নেত্রী।মেডাম দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের পর অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার, পর অনেক রক্ত জরিয়ে আপনাকে বানিয়েছি প্রধানমন্ত্রী।মেডাম আপনার চার পাশে আজ সব চাটুকার, এদের থেকে সাবধান।মেডাম আপনি যখন ক্ষমতা হারাবেন তখন হবেন সাবেক প্রধান মন্ত্রী। মেডাম আমরা রাস্তার কালুরা রাস্তাই থেকে গেলাম। মেডাম সে দিন লোকেরা আমাদের দিকে আঙ্গুল তুলে বলবে তোর কি হবেরে কালু।” আজ দেখলাম তাই হল।কালু দীর্ঘ জীবন শেষ করে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন।কিন্ত ঘরের হাড়িতে রেখে গেলেন না ২ কেজি চাউল,বা ব্যাংক ব্যালেন্স। বা প্লটবা ফ্লাট বাড়ী।শুধুই রেখে গেলেন বিএনপির তফছির আহম্মদ কালুমুন্সি।আমরা এ কালুর হাত ধরে যারা বিএনপি তে যোগদান করেছিলাম।তারা নেতৃত্বের গুনা বলী হিসাবে মেডাম খালেদা জিয়ার প্রধান মন্ত্রীত্ব থাকা কালে মেডামের পক্ষ থেকে মেডামের স্বাক্ষর করা যোগ্য ছাত্র নেতার স্বীকৃতি হিসাবেএকটা ঈদ কার্ড উপহার পেয়েছিলা যা আজ ও স্মৃতি হিসাবে আছে।এস্মৃতি থাকবে।ইনশাল্লহ।তবে দুরভাগ্য হল,যুগে যুগে কালুদের মুল্যায়ন হয় না।হয় চাটুকারদের।
রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ কোনো ইনডোর গেম নয়, এই দল বৈশাখী ঝড়ে ভেসে আসা দল নয় – আবদুস সবুর
রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ কোনো ইনডোর গেম নয়, এই দল বৈশাখী ঝড়ে ভেসে আসা দল নয় – আবদুস সবুর শফিক বাবু,হাকিকুল...









