মালালা ইউসুফজাই তালেবান জঙ্গিদের গুলিতে আহত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন। স্কুলবাসে করে যাওয়ার সময় তালেবান সদস্যরা তাকে গুলি করে। পরে চিকিৎসার জন্য তাকে ইংল্যান্ডে নেওয়া হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। সুস্থ হওয়ার পর তিনি শিক্ষার অধিকার নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করেন এবং সমাজের সব স্তরে শিক্ষার প্রসারে আন্দোলন চালিয়ে যান। নিজের সংগ্রামের পুরো সময়জুড়ে মালালা বারবার বলেছেন যে পাকিস্তান একটি শান্তিপূর্ণ দেশ এবং দেশটি সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে না। নিজ দেশে হামলার শিকার হওয়া সত্ত্বেও, গত ১১ বছর ধরে তিনি পাকিস্তানে স্থায়ীভাবে ফিরে যাননি।
তবে সমালোচকদের মতে, এটিই তার একমাত্র অবস্থানগত পরিবর্তন ছিল না। ২০২১ সালের জুনে Vogue ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মালালা বলেছিলেন যে তিনি বিয়ের ধারণায় বিশ্বাস করেন না। তার মতে, দুজন মানুষ যদি একসঙ্গে থাকতে চান, তাহলে অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্রে স্বাক্ষর করার দরকার নেই। তিনি নিজেকে একজন শক্তিশালী নারী এবং নারীবাদের (ফেমিনিজমের) একজন মুখ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান বলেও উল্লেখ করেছিলেন।
কিন্তু ওই সাক্ষাৎকারের প্রায় পাঁচ মাস পর, ২০২১ সালের নভেম্বরে, তিনি আসের মালিক-কে বিয়ে করেন। আসের মালিক ছিলেন Pakistan Cricket Board-এর জেনারেল ম্যানেজার। সমালোচকেরা বলেন, যিনি আগে বিয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তিনিই পরে বিয়ে করেন এবং আইনি কাগজপত্রেও স্বাক্ষর করেন। তাদের মতে, তিনি নিজের আগের বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক অবস্থান নিয়েছেন এবং “সঠিক মানুষ”কে পাওয়ার পর মত পরিবর্তন করেছেন। এমন ঘটনাগুলোই, তাদের দাবি অনুযায়ী, বর্তমান সমাজে নারীবাদকে উপহাসের বিষয় করে তুলেছে।
সূত্র: শাহ ইমান
সংগৃহীত লেখাটি ইংরেজি কোরা থেকে।লিঙ্ক নীচে দেওয়া হোলো।









