মাত্র দেড় মাস আগে যাত্রাবাড়ী থানায় যোগ দিয়েছিলেন। ৪ আগস্ট সারারাত ডিউটি করার পর বিশ্রামের কোনো জায়গা না পেয়ে থানার মেঝেতেই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। যখন সবাই থানা ছেড়ে চলে যায়, তার ঘুম ভাঙতে দেরি হয়ে যায়। মব থেকে বাঁচার শেষ চেষ্টায় তিনি সিভিল পোশাক পরেন, নিজের হাতেই নিজেকে হাতকড়া পরিয়ে দেন।
কিন্তু মব থানায় ঢুকে তার মানিব্যাগ তল্লাশি করে, আইডি কার্ড পেয়ে নিশ্চিত হয় — তিনি পুলিশ। তখন তিনি সম্পূর্ণ নিরস্ত্র, হাতকড়া পরা। এই অবস্থাতেই তাকে যাত্রাবাড়ীর মোড়ে নিয়ে গিয়ে উল্লাস করতে করতে মারধর করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এখানেই শেষ নয় — মরদেহ উলঙ্গ করে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাজপথে টেনে হিঁচড়ে নেওয়া হয়। সুজনের এক মাস বয়সী একটা সন্তান ছিল।
যারা এই হ**ত্যাকাণ্ডের জন্য ইনডেমনিটি দিয়েছে, আর যারা সেই ইনডেমনিটিকে সমর্থন করে — তারাই আবার মানবতার শিক্ষা দেয়! এর চেয়ে বড় পরিহাস আর কী হতে পারে?
বাংলাদেশে হিন্দুরা সেদিনও সুরক্ষিত ছিলো না, আজও নেই।








