সৌদি সরকার এই দুইজনের শিরচ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। অপরাধ ছিল মসজিদ কমপাউন্ড এর বাইরে এরা দুইজন কিস করছিল। পরে এক পাকিস্তানি জাওরা সেটা ভিডিও করে সৌদি শরিয়া পুলিশের কাছে হ্যান্ডওভার করে। তার প্রেক্ষিতেই শাস্তি প্রদান করা হল।
পাশাপাশি আরও একটা নিউজ হচ্ছে, শ্রীলংকার একজন নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল সৌদি আর। কিন্তু শ্রীলংকার কূটনৈতিক তৎপরতায় সেই মৃত্যুদন্ডে রায় বাতিল হয়েছে।
এর আগে ১০ সালের দিকে, ছয় বাংলাদেশী মিলে আরব আমিরাত এক পাকিস্তানি কে হত্যা করছিল। শেখ হাসিনা সরকার ২ লক্ষ দিরহাম ব্ল্যাড মানি দিয়ে সেই ছয় জনকে রক্ষা করছিল।
বর্তমান বাংলাদেশে তিন তিনজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আবার আমেরিকাকে আব্বা ঘোষণা করছে তা সত্ত্বেও সরকার কূটনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে এই দুটো জীবন কেন রক্ষা করল না। তারাতো এমন কোন হীন অপরাধ করেনি, যেটার জন্য মৃত্যুদণ্ড দেওয়া যায়।
সৌদি এত শরিয়া আইন মেনে চলে অথচ আমাদের দেশ থেকে হাজার হাজার মেয়েকে কাজের নামে নিয়ে যেয়ে প্রেগন্যান্ট করে দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেয়, হলাল পতিতালয় খুলে,হালাল মদের বার খুলে। আর এই প্রেমিক যুগল দুটোকে হত্যা করছে, বাংলাদেশের দূতাবাসকে জানানোর প্রয়োজন পর্যন্ত মনে করেনি।
এই হচ্ছে আধিপত্যবাদ বিরোধী সরকারের প্রকৃত অবস্থা, নির্লজ্জ চাপাবাজ একেকটা।
সৌদি সরকার এই দুইজনের শিরচ্ছেদ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে। অপরাধ ছিল মসজিদ কমপাউন্ড এর বাইরে এরা দুইজন কিস করছিল। পরে এক পাকিস্তানি জাওরা সেটা ভিডিও করে সৌদি শরিয়া পুলিশের কাছে হ্যান্ডওভার করে। তার প্রেক্ষিতেই শাস্তি প্রদান করা হল।
-Md Asad Howlader







