জানা গেছে, স্পেসএক্সের করপোরেট জেট ফ্লিটের হয়ে চুক্তি ভিত্তিতে কাজ করতে ওই বিমানবালা। তার দাবি, ২০১৬ সালে একটি ফ্লাইট চলাকালীন মাস্ক তার সাথে খারাপ ব্যবহার করেন এবং তাকে কুপ্রস্তাব দেন। যদিও আদালতের বাইরে বিষয়টি সমাধানের সময় সংস্থাটি তাকে দিয়ে নন-ডিসক্লোজারে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। ঘটনাটি ২০১৬ সালের হলেও ওই বিমানবালাকে টাকা দেয়া হয় ২০১৮ সালে।
তবে ওই অভিযোগকারী বিমানবালাকে মিথ্যাবাদী উল্লেখ করে নিজের ওপর আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিশ্বের শীর্ষ এই ধনকুবের।






