সকাল ৮টায় জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন। নামাজ শেষে খুতবায় ‘মনের পশুকে জবাই’ করার আহ্বান জানিয়ে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা করা হয়েছে। রবিবার (১০ জুন) সকাল পৌনে ৮টায় খুতবা পাঠ শুরু করেন হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন।
করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়নি। সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকায় এবার রোজার জাতীয় ঈদগাহে ঈদের জামাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান মুসল্লিরা। ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেন প্রধান বিচারপতি, ডিএসসিসি মেয়র তাপস, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মোনাজাতে সকলের মাগফিরাত কামনা, কোরবানি কবুলের আকুতি, করোনা মহামারি থেকে হেফাজতের আরজি, মিথ্যা মামলায় জড়ানোদের বেকসুর খালাসের আশা, দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মাগফিরাত, বঙ্গবন্ধু বন্ধু পরিবারের শহীদদের জান্নাত কামনা, বিশ্ব মুসলিমের শান্তি ও উন্নতি কামনা করা হয়।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় জাতীয় ঈদগাহে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান জামাতে বিকল্প ইমাম হিসেবে ছিলেন মিরপুর জামেয়া আরাবিয়ার মুহতামিম মাওলানা সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান এবং মোকাব্বির ছিলেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন কারী মাওলানা হাবিবুর রহমান মেশকাত।
দক্ষিণ সিটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস জানিয়েছেন, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাতে একসাথে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি ঈদের জামাতে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। একসাথে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মহিলার নামাজের সুব্যবস্থা রয়েছে।
ঈদের প্রধান জামাতের জন্য প্রায় ৩০ হাজার বর্গমিটারের ঈদগাহ ময়দানে প্রায় ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। ঢাকাবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায়ের অনুরোধ জানানো হয়।






