টস জিতে যে উদ্দেশ্যে ব্যাটিং নিয়েছিল বাংলাদেশ সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। মোসাদ্দেকের ব্যাটে ভর করে আফগানিস্তানকে ১২৮ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ।
নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রান করেছে টাইগাররা। মোসাদ্দেক ৩০ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত ছিলেন। তার ইনিংস চারটি চার আর এক ছক্কায় সাজানো। শেষের দিকে মেহেদী হাসান করেন ১২ বলে ১৪ রান।
দুই আফগান স্পিনার মুজিব-উর-রহমান এবং রশিদ খানের স্পিনেই বিধ্বস্ত হয় বাংলাদেশ। ইনিংসের শুরু থেকেই আসা-যাওয়ার মিছিলে ৫৩ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
উদ্ধারের চেষ্টায় ছিলেন মাহমুদউল্লাহ আর মোসাদ্দেক। তবে পারলেন না বেশিদূর এগোতে। মাহমুদউল্লাহ স্লগ করতে গিয়ে ধরা পড়লেন। মিডউইকেটে ক্যাচ দেওয়ার আগে ২৭ বলে ২৫ রান করেছেন সাবেক বাংলাদেশ অধিনায়ক। মোসাদ্দেক হোসেনের সঙ্গে জুটিতে উঠেছে ৩১ বলে ৩৬ রান।
আফগান লেগ স্পিনার বোলিং শেষ করলেন ৪ ওভারে ২২ রানে ৩ উইকেট নিয়ে। ফলে রশিদ ও মুজিব-৮ ওভারে মাত্র ৩৮ রান দিয়ে নিলেন ৬ উইকেট।
আফগান স্পিনারদের ঘূর্ণিতেই ভয় ছিল বাংলাদেশের। মুজিব-রশিদদের তোপ সামলানো নিয়ে অনুশীলনে অনেক কাজও করেছেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। বাংলাদেশ দলের নতুন টেকনিক্যাল কনসালট্যান্ট শ্রীধরণ শ্রীরাম চেন্নাই থেকে দুইজন লেগ স্পিনার নিয়ে এসেছিলেন, যাতে সাকিব-মুশফিকরা নেটে তাদের বিপক্ষে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে পারে।
তবে সে আশায় গুঁড়েবালি! ইনিংসের দ্বিতীয় ওভার থেকে আফগানদের স্পিন ভেলকি শুরু, তাতে খেই হারাতে সময় লাগেনি বাংলাদেশের। নিজের প্রথম দুই ওভারে ওপেনার নাঈম শেখ (৬) এবং এনামুল হক বিজয়কে (৫) তুলে নেন মুজিব। ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারে বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিবকেও (১১) ধরাশায়ী করেন তিনি।
এরপর বোলিংয়ে এসে নিজের দ্বিতীয় বলেই মুশফিকুর রহিমের (১) উইকেট তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম সেরা স্পিন জাদুকর রশিদ খান। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে পঞ্চম উইকেট জুটিতে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চাওয়া আফিফ হোসেনও (১২) কাটা পড়েছেন তার বলেই।






