নিজস্ব সংবাদদাতা:
বিএনপির কর্মসূচিকে ঘিরে মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপি নেতাদের মধ্যে
অর্ন্ত-কোন্দল, ক্রমেই ঘণীভূত হয়ে উঠছে। থামছে না দলটির নেতাদের
গ্রæপিং-লবিং। যার দরুন মতলব উত্তর- দক্ষিন উপজেলা বিএনপিতে ভাঙন লক্ষ্য
করা যাচ্ছে।
ইতোমধ্যে মতলব উত্তর উপজেলায় কেন্দ্রীয় নেতা ডাঃ সরকার মাহবুব আহমেদ
শামীমের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী তার সাথে যোগ দিয়েছেন। এই
দলত্যাগের তালিকা আরো দীর্ঘ হতে পারে। গত শুক্রবার (২৬ আগস্ট) মতলব
উত্তরে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ
ও মিছিল করে আলোচনায় চলে আসে ডাঃ সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম।
নির্ভরযোগ্য একটি সুত্র জানায়, দলীয় সমাবেশে এক পক্ষ গেলে আরেক পক্ষ যায়
না। এক পক্ষের উপর হামলা হলে আরেক পক্ষ হাসে। অদৃশ্য কারণে ৩১ আগস্ট মতলব
উত্তর উপজেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ হওয়ার কথা থাকলেও রহস্যজনক কারণে তা
স্থগিত করা হয়। ৩ সেপ্টম্বের বিএনপির ফের বিক্ষোভ সমাবেশ করার পূর্ব
ঘোষণা রয়েছে তবে শেষ পর্যন্ত তারা বিক্ষোভ সমাবেশ করে কি-না দেখার
অপেক্ষায় আছে মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির তৃনমূলের নেতাকর্মীরা। এ
(সমাবেশ) প্রসঙ্গে ছেংগারচর পৌর বিএনপির সভাপতি-সাধারন সম্পাদক কিছুই
জানেন না বলে জানা যায়, ৩ সেপ্টেম্বর বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ করবে বলে
বিশেষ সূত্রে জানা যায়।
এ কর্মসূচি ঘিরে দলটির নেতাদের মধ্যে দ্ব›দ্ব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ড.জালাল
উদ্দিন এবং তানভির হুদার সমর্থকদের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। ইতোমধ্যে শুক্কুর
পাটোয়ারী, তানভির হুদা,ডাঃ সরকার মাহবুব আহমেদ শামীম,ব্যারিষ্টার
ওবায়েদুর রহমান টিপু এক মঞ্চে আসার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে
দলের ত্যাগী নেতাদের ঠেকানো বর্তমান কমিটির বিএনপি নেতাদের কাছে নয়া
চ্যালেঞ্জ। চাঁদপুর-২ মতলব উত্তর-দক্ষিন উপজেলায় ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে
যারা সংসদ নির্বাচন করতে ইচ্ছুক তাদেরকে আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে থাকতে
নির্দেশ দিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে তৃনমূলের জনৈক নেতা বলেন, ড.জালাল উদ্দিনের
ভাতিজী জামাই যুবদলের আহবায়ক খায়রুল হাসান বেনু, বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল,
সেচ্ছাসেবকদল-সহ সব জায়গায় হাতদিয়ে মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপিকে
জগা-খিচুরিতে পরিনত করেছে। কেউ মুখ খুলছেনা পদ হারানোর ভয়ে। বিএনপি অনেক
বড় সংগঠন। আমাদের নেতাদের মধ্যে দূরত্ব বাড়ছে। আমরা চাপে আছি।







