টস হারলেও আগে ব্যাট করতে অসুবিধা হয়নি টাইগারদের। দারুণ ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ গড়েছে টাইগাররা। মিরাজ, আফিফ, মাহমুদউল্লাহ আর মোসাদ্দেক কার্যকরী ইনিংসে লঙ্কানদের ১৮৪ রানের টার্গেট দিয়েছে বাংলাদেশ।
নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৩ রান করেছে টাইগাররা। মোসাদ্দেক ৯ বলে ২৪ করে অপরাজিত ছিলেন। আর তাসকিন করেন ৬ বলে ১১ রান।
স্লোয়ারে আফিফকে ধোঁকা দিয়েছিলেন মাদুশাঙ্কা। এরপর করুনারত্নে দিলেন মেহেদী হাসানকে। শেষ ওভার করতে আসা হাসারাঙ্গাকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ধরা পড়লেন মাহমুদউল্লাহ। ২২ বলে ২৭ রান তার। ২২ বলে ৩৯ করে ফিরেন আফিফ।
রানের গতি কিছুটা বাড়িয়ে হতাশ করলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। ফিরে গেছেন ২২ বলে ২৪ রান করে। ঠিকসানার বল তুলে মারতে গিয়ে বোল্ড হলেন সাকিব।
ভালো কিছুর আশায় পরিবর্তন আনা হয়েছিল উদ্বোধনী জুটিতে। তবে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা সাব্বির রহমান। তবে ব্যর্থ হননি মেহেদী মিরাজ।
পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার পর এলেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলেই মিরাজের বিপক্ষে এলবিডব্লুর আবেদন করেছিলেন, তবে সাড়া দেননি আম্পায়ার।
মিরাজকে থামাতে রিভিউয়ের সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা, ব্যাটে বলে হয়নি, তবে ইমপ্যাক্টে ছিল বাইরে। রিভিউ হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা।
২ বল পরই ফিরতে হয়েছে মিরাজকে। হাসারাঙ্গার গুগলিতে ভুল শট খেলতে গিয়ে বোল্ড হলেন মিরাজ। ২৬ বলে ৩৮ রান করে ফিরতে হলো মিরাজকে। আজও ব্যর্থ মুশফিকুর রহিম। ফিরে গেলেন ৫ বলে ৪ রান করে।
এর আগে শর্ট বলে ঠিক স্বস্তিতে ছিলেন না মিরাজ বা সাব্বির, এবার পুল করতে গিয়ে টাইমিং করতে পারেননি সাব্বির। এজড হয়েছেন, উইকেটের পেছনে ধরা পড়ার আগে করেছেন ৬ বলে ৫ রান। মিরাজ ও সাব্বিরের ওপেনিং জুটি টিকল ২.৫ ওভার ও ১৯ রান।
টস ভাগ্য সহায় হয়েছে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকার। আর টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
দুবাইয়ের মাঠে টার্গেটে ব্যাটিং করে জয়ের রেকর্ড বেশি। এ কারণেই লঙ্কান অধিনায়কের এমন সিদ্ধান্ত। টস জিতলে সাকিবও ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিতেন বলে জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের একাদশে তিন পরিবর্তন আনা হয়েছে। নাঈম শেখ, বিজয় ও সাইফউদ্দিন বাদ পড়েছেন।






