প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাবের কারণে অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে।
ভারত বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নিকটতম প্রতিবেশী উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে প্রশংসিত।
তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত সরকার ও জনগণের সমর্থনের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশকে অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে নিয়ে যাওয়া। আমরা সেটা করতে সক্ষম। বন্ধুত্ব দিয়ে যে কোনো সমস্যারই সমাধান করা যায়। আমরা সব সময় সেটাই করি।
বৈঠকে যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী জানান।
মঙ্গলবার (৬ সেপ্টম্বর) নয়াদিল্লির হায়দরাবাদ হাউজে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত ৫৪টি নদী দ্বারা সংযুক্ত ও ৪ হাজার কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে দুই দেশের মধ্যে। বাংলাদেশ ও ভারত সম্মিলিত কল্যাণের জন্য সহযোগিতা বাড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কুশিয়ারা নদীর সমস্যার সমাধান হয়েছে। আশা করছি, তিস্তা চুক্তিসহ অমীমাংসিত সব সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে।







