রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের খামার হরিপুরে বিয়ের দাবিতে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রী অবস্থান করছেন। ঘটনার ৫দিন পেরিয়ে গেলেও ওই ছাত্রী বিয়ের দাবিতে তার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে। একাধিক বৈঠক করেও কোন সমাধানে আসতে পারেনি। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী বলেন, উপজেলার শঠিবাড়ীর খামার হরিপুর গ্রামের রফিক মিয়ার পুত্র মো. সুজন মিয়া দুই সন্তানের জনকের সঙ্গে পাশ্ববর্তী ধলারপাড়া গ্রামের মিজানুর রহমানের কন্যা ও শঠিবাড়ী বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের স¤পর্ক গড়ে উঠে। প্রেম ভালোবাসার সূত্র ধরে, গত ২৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ওই ছাত্রী সুজনের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেয়। সুজনের পরিবার তাদের স¤পর্ক মেনে না নিলে নাবালিকা প্রেমিকা মাত্রাতিরিক্ত চেতনানাশক ওষুধ সেবন করে নিজের হাত ব্লেড দিয়ে কেটে আতœহত্যার চেষ্টা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। বিষয়টি সমাধানের জন্য উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাকির হোসেন সরকারের বাড়িতে বৈঠক হয়। উপজেলা চেয়ারম্যানের নির্দেশে ওই ছাত্রীকে তার বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়। তবে ওই ছাত্রী বাবার সঙ্গে না গিয়ে আবারও বিয়ের দাবিতে সুজনের বাড়িতে অবস্থান নেন। মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান বলেন, এ বিষয়ে কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








