লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পার্বতীনগর ইউনিয়ন এর ভূইঁয়ার হাট এলাকার ইউনেসের বাড়ী থেকে বিক্রি হওয়া শিশু সন্তান খুশি(৪)কে প্রকৃত মা ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা(এনএসআই) লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার,অফিসারদের বিরাম হীন সার্বিক তৎপরতায় ওই সন্তানকে ফিরে পেয়েছে মা ।
এসময় জেলার কর্মরত সাংবাদিকরাও উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গলবার ১১ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোঃ মোছলে উদ্দিন জানান, শিশু সন্তানের মা রেহানা আক্তার একটি বাচ্চাকে ফিরে পেয়েছে। এবং আরেকটি বাচ্চাকে ফিরে পেতে একটি নিখোঁজ ডায়রী করেছে।
জানাযায়, বিগত ২৯ সেপ্টেম্বর লিটনের (স্ত্রী) রুমি আক্তার ওই শিশু সন্তান, খুশিকে ৩০ হাজার টাকার বিনিময় একই ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের নোয়া বাড়ীর ফারুক,নুরজাহান,খোরশেদ,নুরুকরিম কুচক্রি মহলের নিকট থেকে ক্রয় করে। অনেক খোজাঁ-খঁজির পর সোমবার ১০ অক্টোবর দুপুরে খিলবাইচা ইলিয়াস হাজি বাড়ীর নুজ্জামানের পুত্র লিটনের ঘর থেকে উদ্ধার করে সদর থানায় নিয়ে আসা হয়।
রেহানা আক্তার উক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে এবং অপর বাচ্চাটি ফিরে পেতে একটি নিখোঁজ ডায়রী করে। অভিযোগ সূত্রে জানাযায়,রেহানা আক্তার সোনাপুর গ্রামের ফারুক হোসেনের সাথে মুসলিম সরিয়া মোতাবেক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।
এবং তাদের সংসারে ২টি জমজ সন্তান আসে এবং বর্তমানে তাদের বয়স প্রায় চার বছর। কিন্তু বিগত তিন মাস পূর্বে রেহানা আক্তারের একটি ছোঁয়াছে রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এবং ডাক্তারের পরামর্শ ক্রমে সন্তানরা পাশে থাকতে পারবেনা এই সুভাধে স্বামী ফারুক হোসেন ও তার মা নুরজান বেগমের সাথে হাসি,খুসি দুই সন্তানকে নিয়ে যায়।
র্দীঘ চিকিৎসার পর রেহানা আক্তার সুস্থ হয়ে বাচ্চাদের জন্য স্বামী ও শাশুড়ির নিকট যায়। কিন্তু তারাঁ বিভিন্ন টালবাহানা করে।এক পর্যায়ে জানতে পারে হাসি-খুসিকে তাদের পাষুন্ড পিতা ফারুক হোসেন ও দাদী নুরজাহান বেগম উপরোক্তদের মাধ্যমে ওই সন্তানের বিক্রি করে দেয়।
তখন মমতা ময়ী মা রেহানা আক্তার কান্নায় জড়িয়ে পড়ে। এবং পাগলের মতো সন্তানদের খোঁজতে থাকে। এক পর্যায়ে জাতীয় নিরাপত্তা গোন্দো সংস্থা(এনএসআই) লক্ষ্মীপুর শাখার নজরে আসলে তাদের সার্বিক তৎপরতায় খুশিকে পেয়েছে।
এবং সদর মডেল থানার ওসি মোঃ মোছলে উদ্দিনের মাধ্যমে শিশু সন্তানকে নিরাপদে নিজের কাছে নিয়ে যায়। এবং অপর সন্তানকে ফিরে পেতে থানার পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতা করা হবে।







