রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধ-দিনাজপুর বিরামপুরে আবাসন এলাকায় অসামাজিক কাজের অভিযোগ উঠেছে। আজ (২২ শে নভেম্বর ২০২২) দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলার অন্তর্গত খানপুর ইউনিয়নের মধ্যে বড় বুচকি আবাসন এলাকায় মুসলিম ছেলে ও আদিবাসী মেয়ে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে বলে জানা যায় । আবাসন (বড় বুচকি) এলাকার ১০৯ নং ঘরে বসবাসকারী আদিবাসী সন্তোষের কন্যা আলো (১৬) পার্শ্ববর্তী চ্যাংমারি বাজার এলাকার বেলালের ছেলে শাহিন রেজার সহিত আলোর অসামাজিক কাজের দায়ে এলাকার যুবকগন তাদের আটক করেন ।
এমন ঘটনার সংবাদের প্রেক্ষিতে প্রতিবেদকগণ ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণে জানা যায়,স্থানীয় যুবকগন সমন্বয়ে তাদের আটক করে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সোহেল রানার দিকনির্দেশনায় সারারাত তাদেরকে এক রুমে আটক করে রাখা হয়। উক্ত অসামাজিক কাজে আটক আলো এবং শাহিন রেজা দুইজনকে স্থানীয় যুবকদের সহযোগিতায় সোহেল মেম্বারের বাড়িতে তার হাতে প্রদান করেন। এ বিষয়ে প্রতিবেদক গণ আজ সকাল 10 ঘটিকায় সোহেল মেম্বারের বাড়িতে যাওয়ায় কিছুক্ষণ পূর্বেই ছেলে-মেয়ে উভয়কে বড় বুচকি আবাসন এলাকায় নিয়ে যায় বলে জানা যায়। উক্ত বড় বুচকি আবাসন এলাকায় উপস্থিত ওয়ার্ড মেম্বার সোহেলের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন কতিপয় যুবকগণ তাদেরকে গতরাত্রে অসামাজিক কাজে আটক করলে আমাকে অবহিত করেন এবং তাদেরকে আমার বাসায় রেখে আসে বলে স্বীকার করেন। এমতাবস্থায় মুসলিম ছেলে ও আদিবাসী মেয়ে অসামাজিক কাজের মধ্যে থাকায় তাদের মধ্যে বিবাহ সম্পাদন করার প্রস্তুতি গ্রহণ করেন।
ঠিক সেই মুহূর্তে সোহেল মেম্বার আরো জানান হঠাৎ করে তার নিকট উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিমল কুমার সরকারের ফোন দিলে সে উক্ত ঘটনা বিস্তারিত বর্ণনা করেন। এক পর্যায়ে তাকে বলেন যেহেতু মেয়ের বয়স ১৬ সেহেতু মেয়েকে তার পিতার নিকট এবং ছেলেকে তার পিতার নিকট পৌঁছে দেওয়ার জন্য বলেন বলে জানান ওয়ার্ড নাম্বার সোহেল রানা। এ বিষয়ে স্থানীয় খানপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান চিত্তরঞ্জন পাহানের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান আমাদের নির্বাহী স্যার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার উপরে আমাদের আর কিছু বলার নেই বলে জানান। এ বিষয়ে সন্তোষের কন্যা আলোর নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান শাহিন রেজা এর সহিত বিবাহের প্রলোভনে তারা দুই বছরের প্রেমের সম্পর্ক এবং দৈহিক মিলনে অতিবাহিত করেছেন বলে জানান অভিযোগকারী আলো। উক্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে চেংমারী বাজার বেলালের ছেলে শাহিন রেজার নিকট জানতে চাইলে সে ঘটনার বিষয়টি বর্ণনা করেন ও আলোর সহিত তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। তিনি আরো জানান সারারাত আমাদেরকে আটক করে রাখার পর আজ মেম্বারগণের সহযোগিতায় আমাকে ছেড়ে দেয় তারা কিভাবে আমাকে ছেড়ে দিয়েছে এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না বলে জানান। এ বিষয়ে আরো আরো জানান,গতকাল রাত্রে তারা নির্জনে আলাপচারিতায় স্থানীয় যুবকগন তাদের আটক করে এবং সে বিয়ের দাবি করেন কিন্তু ওয়ার্ড মেম্বার বিয়ে না দিয়ে ছেলেকে ছেড়ে দেন এবং মেয়ে বিয়ের দাবি সহ সম্ভ্রম হানির অভিযোগ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরিমল কুমার সরকারের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জানান যেহেতু মেয়েটির বয়স ১৬ সে নাবালিকা বিয়ে সম্পাদন করা আইনগতভাবে কোনক্রমে সম্ভব নয়। পক্ষান্তরে মেয়ে যদি অভিযোগ করে তাহলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে বলে জানান। এ বিষয়ে স্থানীয় জনসাধারণের নিকট জানতে চাইলে তারা জানান এমন ঘটনার পরিস্থিতির শিকার হলে মেয়েদের ইজ্জতের কোন মূল্য আর থাকবে না দিনের পর দিন ধর্ষণ অসামাজিক কার্যকলাপ এলাকায় বৃদ্ধি পাবে বলে মন্তব্য করেন।








