রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে খোলা সয়াবিনের দাম। এছাড়াও দাম বেড়েছে চাল ও বুটডালের। তবে কমেছে পোলট্রি মুরগি ও কিছু সবজির দাম। আলু, বোতলজাত সয়াবিন, ডিম, ডাল ও মাছ-মাংসের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। গতকাল বুধবার রংপুর মহানগরীর বাজার দেখা যায়, খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি গত সপ্তাহের তুলনায় ৫-১০ টাকা কমে ১৪০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একমাস আগেও বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রয় করা হয়েছিল ১৭০-১৮০ টাকায়। সপ্তাহের ব্যবধানে কর্ক (পাকিস্তানি) মুরগি ১০-২০ টাকা দাম কমে ২৫০-২৬০ টাকা বিক্রয় হচ্ছে। যা মাসখানেক আগে ৩০০ টাকা ছাড়িয়েছিল। তবে দেশি মুরগি আগের মতোই ৪১০-৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করা হচ্ছে। বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন ১৭৮ টাকা এবং দুই লিটার ৩৫৬ টাকায় বিক্রয় করা হলেও ভালোমানের খোলা সয়াবিন তেল ১৮০ থেকে বেড়ে ২০০ টাকা এবং ১৬০ টাকার তেল ১৮০ টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে। খোলা সয়াবিনের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে ২০ টাকা বেড়েছে। সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে স্বর্ণা (মোটা) ২-৩ টাকা বেড়ে ৫৪-৫৫ টাকা, স্বর্ণা চিকন ৫৬-৫৮ টাকা, বিআর২৮ ৬৩-৬৫ টাকা থেকে বেড়ে ৬৬-৬৮ টাকা, মিনিকেট ৭৫-৭৮ টাকা এবং নাজিরশাইল ৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করা হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় কমেছে কিছু সবজির দাম। প্রতিকেজি টমেটো ১৫০-১৬০ টাকা থেকে কমে ১৩০-১৪০ টাকা, বাজারে আসা দেশি গাজর ৬০-৮০ টাকা, করলা ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৮০, শসা আগের মতোই ৫০-৬০ টাকা, চিকন বেগুনের দাম কমে ১৫-২০ টাকা, গোল বেগুনের দাম কমে ৩৫-৪০ টাকা, পেঁপে আগের মতোই ১৫-২০ টাকা, লেবু প্রতিহালি ৮-১০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০ টাকা, শুকনা মরিচ ৪৫০-৫০০ টাকা, লাউ প্রতিপিস ২৫-৩০ টাকা, ধনেপাতা ৩০-৪০ টাকা, কাঁচকলা হালি ২৫-৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০-৬০ টাকা, বরবটির দাম কমে ৩৫-৪০ টাকা, দুধকুষি ৪০-৪৫ টাকা, পটল ৫-১০ টাকা বেড়ে ৩৫-৪০ টাকা, প্রতিকেজি মিষ্টিকুমড়া ৩৫-৪০ টাকা, চালকুমড়া (আকারভেদে) ৩০-৩৫ টাকা, ঝিঙে ৪০-৫০ টাকা, কাঁকরোল ৪০-৫০ টাকা, শিমের দাম কমে ৩৫-৪০ টাকা, মুলা ১৫-২০ টাকা, বাঁধাকপির দাম কমে ২৫-৩০ টাকা এবং ফুলকপির দাম কমে ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করা হচ্ছে। গত সপ্তাহের দরেই আদা ১০০-১২০ টাকা ও রসুন ৭০-৮০ টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে। বাজারে সবধরনের শাকের আঁটি পাওয়া যাচ্ছে ১০-১৫ টাকায়। কার্ডিনাল আলু গত সপ্তাহের মতো ২৩-২৫ টাকা, শিল আলু ৪৫-৪৮ টাকা, ঝাউ আলু ৪৫ টাকা এবং সাদা আলু ৪০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। এ সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজ ৪৫-৫০ টাকা এবং ভারতীয় পেঁয়াজ ৩৫-৪০ টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে। খোলা চিনি গত সপ্তাহের মতোই ১১০-১১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করা হচ্ছে। এছাড়াও প্যাকেট আটা ৭০ টাকা ও খোলা আটা ৬৫ টাকা, ছোলা বুট ৮৫-৯০ টাকা এবং ময়দা ৭৫ টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে। মসুর ডাল (মাঝারি) ১১০-১২০ টাকা, চিকন ১৩০-১৪০ টাকা, মুগডাল ১৪০-১৫০ টাকা, বুটডাল ৮৫-৯০ টাকা থেকে বেড়ে ৯৫-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করা হচ্ছে। ডিমের হালি গত সপ্তাহের মতোই ৩৮-৪০ টাকায় বিক্রয় করা হচ্ছে। গরুর মাংস ৬২০-৬৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ৮০০-৯০০ টাকায় কেজি বিক্রয় হচ্ছে। আকারভেদে রুইমাছ ২৫০-৩০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, পাঙাস ১৫০-১৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০, কাতল ৪০০-৪৫০ টাকা, বাটা ১৬০-১৮০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০-২৫০ টাকা এবং গছিমাছ ৬০০-৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করা হচ্ছে।







