১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান সরকার ভোটের অধিকার না দেয়ায় যার যা কিছু ছিল তাই নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঝাপিয়ে পরেছিল।আশ্চর্য বিষয় হলো ১৯৭০সালে পাকিস্তান সরকার ভোট দিতে বার বার বাহানা করছিল,তখন আওয়ামীলীগ ভোট দিতে চাপ সৃষ্টি করেছে। ওই নির্বাচনে আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করার পরেও পাকিস্তান সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর না করার কারনে অর্থাৎ ভোটে মর্যাদা না দেয়ার কারনে মানুষ আন্দোলন করেছে, সংগ্রাম করেছে। আজ আওয়ামীলীগ সরকার গ্রহনযোগ্য ও নিরপেক্ষ ভোট দিতে ভয় পাচ্ছে।আমি আওয়ামী সরকারকে বলবো যদি আপনি দেশকে উন্নয়নে মহাসড়কে ভাসিয়ে দেন আর ভোটের অধিকার রক্ষা করতে না পারেন তবে যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে সবাই আওয়ামীলীগের উপর ঝাপিয়ে পড়বে। ১৬ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর কর্তৃক আয়োজিত বিজয় র্যালী পূর্ব সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম -শায়খে চরমোনাই এসব কথা বলেন। মুফতী ফয়জুল করীম আরো বলেন বাংলাদেশের মানুষ না খেয়ে থাকতে পারে কিন্তু পরাধীনতা মেনে নিতে পারে না।আজ আওয়ামীলীগ সরকার যদি মনে করে পুলিশ বাহিনী, র্যাব,সেনাবাহিনী আপনাকে রক্ষা করবে,আপনি লিখে রাখেন বাংলাদেশের মানুষ যখন ক্ষিপ্ত হবে কোন বাহিনী, কোন দেশ আপনাকে রক্ষা করতে পারবে না। কাজেই আওয়ামীলীগ সরকারকে বলবো গ্রহযোগ্য নির্বাচন দিন নতুবা আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবেন। র্যালী পূর্ব সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগরীর সহ-সভাপতি মাওলানা লুৎফর রহমান,সেক্রেটারী মাওলানা সৈয়দ নাছির আহমেদ কাওছার, জেলা সেক্রেটারী মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম,জাগুয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মুফতী হেদায়াতুল্লাহ আজাদী, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন টিটু,মাওলানা নাসির উদ্দীন নাইস,এনামুল হক শামীম রাঢ়ী, খোন্দকার মাহবুব রব্বানী, এইচ এম হাসানুজ্জামান মিরজ। ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বরিশাল মহানগর সভাপতি মুহাম্মাদ ফজলুর রহমান, ইসলামী যুব আন্দোলন বরিশাল মহানগর সভাপতি আরিফুর রহমান, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর সভাপতি মুহাম্মাদ জাহিদুল ইসলাম প্রমূখ।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







