মেট্রোরেল চালু হওয়ার দ্বিতীয় দিনেও টিকিট কাটতে গিয়ে স্বয়ংক্রিয় ভেন্ডিং মেশিন হঠাৎ বিকল হওয়ায় বিভ্রাটে পড়েছেন যাত্রীরা। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে টিকিট বিক্রয় মেশিনের এ জটিলতা সৃষ্টি হয়। এতে কাউন্টারে যাত্রীদের চাপ তৈরি হয়।
যাত্রীরা জানান, আগারগাঁও স্টেশনে আধঘণ্টা টিকিট বিক্রি চলার পরই একটি মেশিন কাজ করা বন্ধ করে দেয়। একজন উত্তরার টিকিট কাটার জন্য মেশিনে প্রথমে ১০০ টাকা এবং পরে আরো ২০ টাকা দিলে দু’টি টিকিট পান কিন্তু একইসঙ্গে ফেরত পান ৬০ টাকা। এরপরই মেশিনটি বিকল হয়।
তরিকুল ইসলাম নামের এক যাত্রী বলেন, লাইনে এসে দাঁড়িয়ে দেখি একটা মেশিন নষ্ট। তাই অন্য একটি লাইনে দাঁড়ালাম। সবগুলো মেশিন সচল থাকলে টিকিট কাটতে সুবিধা হতো।
কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা জানান, এক যাত্রী ভাঁজ করা ১০০ টাকা মেশিনে দেন। টাকাটা একটু পুরোনো হওয়ায় মেশিন সেটি ভালোভাবে হয়তো শনাক্ত করতে পারেনি। এছাড়া কার্ডও শেষ হয়ে গেছে।
এদিকে প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিন শুক্রবার সকালেও মেট্রোরেলের আগারগাঁও স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে তৎপর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
এর আগে মেট্রোরেল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার প্রথম দিন বৃহস্পতিবারও (২৯ ডিসেম্বর) ভেন্ডিং মেশিন বিকল হওয়ায় যাত্রীদের টিকিট কাটতে বিড়ম্বনা পোহাতে হয়।
আগারগাঁও মেট্রোরেল স্টেশনের ভেন্ডিং মেশিনের কারিগরি দায়িত্বে থাকা খায়রুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, ৬০ ও ১০০ টাকার টিকিট কাটার জন্য ভেন্ডিং মেশিন প্রস্তুত করা হয়েছে। কোনো যাত্রী ৫০০ বা ১০০০ টাকার নোট দিলে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার মতো টাকা মেশিনে মজুত রাখা ছিলো না। এ কারণেই ৫০০ বা ১০০০ টাকার নোট দেওয়ার পর মেশিন বিকল দেখাচ্ছিলো।








