জীবনে চলার পথে অনেকেই একাধিক বার প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিছু কিছু সম্পর্ক বহু বছর পর্যন্ত টিকেও যায়, আবার কিছু সম্পর্কের সময় সীমা খুবই কম। কিছুটা সময় ধরে এক জন মানুষকে চেনা, এরপর তাঁর সাথে ঘনিষ্ঠ হওয়া, নিজের ভাল-মন্দ সবকিছু নিয়ে তাঁর সামনে মেলে ধরা— এরপরেই আবার বিচ্ছেদ। অনেক ক্ষেত্রেই দীর্ঘ দিনের প্রেমিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর নিজের বাবা-মায়ের পছন্দের পাত্রের সঙ্গে বিয়ে করতে হয়। স্বামীর সাথে বেশ ভালই ভাব জমে, তাঁর সাথে সাথে আবার পুরনো প্রেমিকের স্মৃতি মনের কোণায় কোথাও যেন থেকেই যায়। আর সেই প্রেমিক যদি কিনা বিয়ের পরও আপনার সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্কে থাকতে চান, তবে আপনার কি আদৌ তাঁর সাথে কোনও রকম সম্পর্ক রাখা উচিৎ কি না?
১) আপনি যদি পুরোনো প্রেমের সম্পর্কের মায়াজাল থেকে সম্পূর্ণ ভাবে বেরিয়ে এসেন, তবে আপনার বিবাহিত সম্পর্কে কোনও রকম আঁচ পরবে না, তা হলে শুধু মাত্র বন্ধুত্ব করাই যায়। তবে সবটাই যেন আপনার বর্তমান সঙ্গীর সামনে স্পষ্ট থাকে, অন্যথায় সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
২) বিবাহিত সম্পর্কের মূল ভিত্তি কিন্তু বিশ্বাসই। তাই স্বামীর সঙ্গে প্রেমিকের বিষয়টি না লুকোনোই ভাল। প্রথমে আপনাকে স্থির হতে হবে যে, আপনার পক্ষে পুরোনো প্রেমিকের সাথে শুধু বন্ধুত্ব রাখা আদৌ সম্ভব কি না। যদি মনে কোনও প্রকার সন্দেহ থাকে, তবে তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে আর না রাখাই ভাল।
৩) কনও সম্পর্কে থাকাকালীন সময়ে দু’জনের একে অপরের প্রতি এক ধরনের অধিকারবোধ জন্ম নিয়ে থাকে। কিন্তু বিচ্ছেদের পরে সেই ঘনিষ্ঠতা একই রকম থেকে যাওয়াটা কঠিন। তাই কিছু কিছু বিষয়ে আপনার এবং তাঁর নিজস্ব পরিধি থাকাটাই ভাল।








