সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে মেইলেন গ্যানেজ় তাঁর ট্যাম্পন ব্যবহারের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন। যোনিতে তীব্র যন্ত্রণা, বছর দুই আগে ট্যাম্পন(Tampon) তাঁর ডিম্বনালিতে আটকে ছিল কিন্তু সে কথা তিনি মোটেই টের পাননি। তার পর যা ঘটেছে তাঁর সঙ্গে

ঋতুস্রাবের সময় র্যাশ অথবা চুলকানি হাত থেকে রেহাই পেতে ইদানীং অনেকেই স্যানিটারি ন্যাপকিনের পরিবর্তে ট্যাম্পন ব্যবহারে বেশী স্বচ্ছন্দ বোধ করছেন। তবে সম্প্রতি ট্যাম্পন ব্যবহারকারী এক মহিলার স্বীকারোক্তি হইচই ফেলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়
পেশায় একজন লেখক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর মেইলেন একটি ভিডিও শেয়ার করে বললেন- “আমি যখন নাবালিকা ছিলাম, সে সময় এক দিন হঠাৎ করে আমার যোনিপথে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। চিকিৎসকরা ভাবেছেন, আমায় হয়ত কোন পোকা কামড়েছে। কিন্তু দু’বছর পর আমি জানতে পারি এর আসল সত্য। আমার শরীরে সবরকম উপসর্গ দেখে চিকিৎসকরা মনে করেছেন, আমার যোনিতে কোনও পোকা কামড়ে দিয়েছে। তখন তাঁরা আমায় সেই মতো ওষুধও দেন। ওষুধ খেয়ে আমার যন্ত্রণা কিছুটা কমে। তবে আবারও কিছু দিন পর সেই একই সমস্যা শুরু হয়। যোনিপথে যন্ত্রণা বাড়ে। সেই সময় অস্বস্তির কারণটা খানিকটা অনুমান করতে পারলেও লজ্জায় চিকিৎসকদের কিছুই বলতে পারিনি।”
কিন্তু এর পর বছর দুয়েক পরে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এ বার কনও একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া ছাড়া আর কোনও রাস্তাই ছিল না। নানান পরীক্ষা নিরিক্ষা করে চিকিৎসকরা জানান তাঁর যোনিতে আড়াআড়ি ভাবে ট্যাম্পন আটকে রয়েছে। সেটা এতটাই ভিতরে ছিল যে অস্ত্রোপচার করা ছাড়া ওটা বার করা সম্ভব ছিল না বলে মণে করা হয়েছিল। ট্যাম্পনের কারণেই তাঁর যোনিতে সংক্রমণ হয় এবং সেই থেকেই তীব্র দুর্গন্ধও তৈরি হয়। বিকট দুর্গন্ধের কারণে লোকসমাজে যেতেও তার বেশ অস্বস্তি হত।
চিকিৎসকরা ওষুধের দ্বারা ট্যাম্পনটি গলানোর চেষ্টা করেন। তবে দীর্ঘ দিন ধরে সেই যন্ত্রণার মধ্যে থাকতে হয়েছে মেইলেনকে। এর পর আরও বেশ কিছু পরীক্ষা করার পর জানা যায়, তাঁর যোনিতে একটি নয়, তিন তিনটে ট্যাম্পন আটকে রোয়েছে। যদিও সেগুলি অবশেষে অস্ত্রোপচার ছাড়াই বেরিয়ে আসে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ট্যাম্পন পরে তার পরে তা খুলতে ভুলে যাওয়ার কারণেই এমন বিপত্তি ঘটেছে।








