রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: দেশের মানুষ কষ্টে আছে। সেই কষ্ট লাঘবে রেশনিং কার্ডের মাধ্যমে পণ্য দেয়া দরকার। আমরা হাজার হাজার কোটি টাকার মেগা প্রজেক্ট করতে পারি আর দেশের মানুষকে বাঁচাতে কোন উদ্যোগ নিতে পারবো না, এটা হতে পারে না। কেননা মানুষ না বাঁচলে, দেশের উন্নয়ন করে কি হবে! মেগা প্রজেক্ট বন্ধ করে মানুষকে বাঁচানোর চেষ্টা করতে হবে। সরকার এখনই যদি ব্যবস্থা না নেয় সামনের দিকে আরও খারাপ দিন আসতে পারে। ৫ দিনের সফরে এসে গত ১ মার্চ বুধবার সন্ধ্যায় রংপুর নগরীর স্কাই ভিউ বাসভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। তিনি আরও বলেন,নজরদারির মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর
ঘাড়ে হাত রাখা মঙ্গলজনক নয়। কারণ এটি রাজনৈতিক দলগুলোর উপর ঝুঁকি সৃষ্টি করে। স্বাধীনভাবে ঘোরাফেরা, জনগণের সামনে যাওয়াসহ স্বাভাবিকত্বকে নষ্ট করে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি অবাধ পরিবেশ দরকার। স্বচ্ছ রাজনীতি জনগণের সামনে তুলে ধরতে ও সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সারা দেশে কাজ করে যাচ্ছে জাতীয় পার্টি। মহানগর, জেলা,উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে জাতীয় পার্টি ও অঙ্গসংগঠনগুলোকে সংগঠিত করছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির উপর জনগণের আস্থা নেই। জনগণ বিকল্প খুঁজছে। সেই বিকল্প হিসেবে নিজেদের তৈরি করছে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীগণ। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ৩শত আসনে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি। ইভিএমের ব্যাপারে জিএম কাদের বলেন, রংপুর সিটি নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী জয়লাভের মধ্য দিয়ে সরকার প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে ইভিএমেও অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়। আমরা জানি ইভিএমে সরকারের কন্ট্রোল থাকে। বর্তমানে নির্বাচন কর্মকর্তারা সরাসরি দলীয় নেতাকর্মীদের মতো ব্যবহার করছে। সরকার তাদেরকে ব্যবহার করে রেজাল্ট পাল্টানো, রেজাল্ট প্রিন্ট করে নির্বাচনী ফলাফল পাল্টে দিতে পারে। এটিকে চ্যালেঞ্জ করা কিংবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উপায় নেই। আগামী নির্বাচন স্বচ্ছ প্রক্রিয়া হিসেবে ব্যালটের মাধ্যমে করার দাবি জানাচ্ছি। এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ স¤পাদক এসএম ইয়াসির, সাংগঠনিক স¤পাদক আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।







