দুই মাস হতে চলল, দেশের বাজারে মুরগির দামের ঊর্ধ্বগতি থামছেই না। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা বা তারও বেশি দামে বিক্রি হয়ে রেকর্ড গড়েছে। যদিও চলতি বছরের শুরুতে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি দাম ছিল সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা, যা কোনো কোনো সময় ১৩০ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে। তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছে, ব্রয়লারের দাম ২০০ টাকার বেশি হওয়া অযৌক্তিক।
এদিকে ময়মনসিংহ নগরীতে দেশি মুরগি ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
নগরীর মেছুয়া বাজারের এক মুরগি বিক্রেতা জানান, সপ্তাহের ব্যবধানে দেশি মুরগির দাম ১০০ টাকা বেড়ে ৬০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে ৩৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ব্রয়লার মুরগি ২৫০ টাকা, লেয়ার কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৩২০ টাকা এবং সাদা কক ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে আজ (২৩ মার্চ) থেকে ব্রয়লার মুরগির দাম সহনীয় পর্যায়ে না এলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। প্রয়োজনে প্রতিবেশী দেশ থেকে আমদানির মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করার অনুরোধ জানিয়েছেন অনেকে।
বুধবার জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, ব্রয়লার মুরগি ব্যবসায়ীদের আমরা ডেকেছি। তারা আমাদের মুচলেকা দিয়েছে। কিন্তু দামের এখনো কোনো নিয়ন্ত্রণ দেখছি না। উৎপাদন খরচের সঙ্গে পাইকারি ও খুচরা বাজারের কোনো মিল নেই। এ নিয়ে আমরা কাজ করছি—আমাদের পর্যবেক্ষণে এসেছে, ব্রয়লার মুরগির দাম ২০০ টাকার বেশি হওয়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।
এদিকে বৃহস্পতিবার মুরগির অযৌক্তিক দাম বাড়ানোর কারণ ব্যাখ্যা দিতে চার প্রতিষ্ঠানকে তলব করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। প্রতিষ্ঠান চারটি হলো_কাজী ফার্মস লিমিটেড, আফতাব বহুমুখী ফার্মস লিমিটেড, সিপি বাংলাদেশ ও প্যারাগণ পোল্ট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেড।







