র্যাবের হেফাজতে থাকা অবস্থায় নওগাঁর ভূমি অফিসের কর্মচারী সুলতানা জেসমিনের (৩৮) মৃত্যুর ঘটনায় মাঠপর্যায়ে কর্মরত বাহিনীটির ১১ জন সদস্যকে জয়পুরহাট থেকে রাজশাহীতে আনা হয়েছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (আইন ও গণমাধ্যম শাখা) পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ওই নারীর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত করতে র্যাব সদর দপ্তরের অভ্যন্তরীণ তদন্ত সেলের একটি দল এখন রাজশাহীতে আছে বলে জানান তিনি।
খন্দকার আল মঈন বলেন, তদন্ত সেল ঘটনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে। তদন্ত চলাকালে কর্মকর্তাদের সঙ্গে আবার কথা বলা প্রয়োজন পড়তে পারে। এ কারণে তাদের জয়পুরহাট ক্যাম্প থেকে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আনা হয়েছে।
তিনি জানান, তাদের মধ্যে সেনাবাহিনীর একজন মেজর, পুলিশের এএসপিসহ অন্যান্য সদস্য ও গাড়িচালক রয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের র্যাব-৫-এর জয়পুরহাট সিবিসি-৩ কর্মস্থলে পাঠানো হবে। ঘটনার সত্যতা মিললে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে তদন্ত কমিটি।
এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জেসমিনকে আটকের সঙ্গে জড়িত র্যাব সদস্যদের ‘ক্লোজ’ করা হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমকে জানান।
রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে কর্মরত যুগ্ম সচিব এনামুল হকের অভিযোগে গত ২২ মার্চ নওগাঁ থেকে র্যাব আটক করে ভূমি অফিসের কর্মী জেসমিনকে।
আটকের চার ঘণ্টা পর তাকে অসুস্থ অবস্থায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে নিয়ে যায় র্যাব। সেখান থেকে তাকে পাঠানো হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। শুক্রবার সেখানে তার মৃত্যু হয়।






