মোহাম্মাদ সোহেল(টাংগাইল) জেলা প্রতিনিধি;
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক আল-আমিন (২৩) এর বাড়িতে অনশন করছেন আয়শা খাতুন (১৭) নামে এক তরুণী । এদিকে তরুণীর বাড়িতে আসার বিষয়টি টের পেয়ে প্রেমিক ও তার পরিবারের লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন।
রবিবার (০২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের বাগবাড়ি এলাকায় ওই তরুণীকে অনশন করতে দেখা গেছে।
এদিকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমিকাকে একাধিকবার ধর্ষণের পর সম্পর্কের কথা অস্বীকার করছেন প্রেমিক। এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ অভিযোগ না নিলে কোর্টের শরণাপন্ন হন বলে জানান ভুক্তভোগী ওই তরুণী ।
অনশনরত তরুণী হলেন- উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের রাউৎবাড়ী গ্রামের মো. আকবর হোসেনের মেয়ে আয়শা খাতুন এবং অভিযুক্ত প্রেমিক একই ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামের মো.বাদশা মিয়ার ছেলে আল-আমিন।
অনশনরত প্রেমিকা জানান, প্রায় তিন বছর আগে বাগবাড়ী জহির তালুকদারের ছেলে মো. বেলাল সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের দু’বছর মাথায় শ্বশুর বাড়ি যাওয়া আসার পথে তার সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তার প্রেমের ফাঁদে পা দেই।
একদিন আমাকে বাড়িতে থেকে নিয়ে জামালপুরে সে যেখানে চাকরি করে সেখানে ৩/৪ দিন যাবৎ রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করে। এরপর বাড়িতে এসে বিয়ে করবে বলে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে রেখে যায়। অতঃপর সে আমার ফোন না ধরায় বিষয়টি আমার পরিবারকে জানালে তার পরিবারকে জানায়। তারপর সে ফোনে ভয়-ভীতি ও হত্যার হুমকি দিয়ে আমার সাথে একেবারে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
এদিকে স্বামীর সঙ্গে আমার ডিভোর্স হয়ে যায়। পরে অনেকটা বাধ্য হয়েই বিয়ের দাবিতে আল -আমিনের বাড়িতে আসি। অনশনরত তরুণী আরও বলেন, তার দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন এবং দাবি পূরণ না হলে প্রেমিকের বাড়িতেই ফাঁসি দিয়ে মারা যাবেন বলেও জানান।
এদিকে খবর পেয়ে রাত দশটায় দিকে ভূঞাপুর থানার এসআই লিটনসহ বাগবাড়ী গ্রামের মাতাব্বর মঞ্জু এবং ছাব্বিশা গ্রামের কমিশনার মুক্তার কে সাথে নিয়ে ঐ বাড়িতে গিয়ে সেখান থেকে মেয়েটা কে তার বাবার নিকট হস্তান্তরের চেন্টা করে ব্যর্থ হয় কোন কিছুতে না পেরে শেষে ওই বাড়িতে ঘরের তালা খুলে আশেপাশের কয়েক জন মহিলাকে সাথে দিয়ে পুলিশ চলে আসে। মেয়েটি এভাবে সারারাত থাকার পর সকালে মেয়েটার বাবা বিভিন্ন মাতব্বরের দ্বারে দ্বারে ঘুরতেছে ন্যায় বিচারের জন্য।








