লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি :বান্দরবানের লামায় মিথ্যা সংবাদ প্রচারের শিকার বলে অভিযোগ করেছেন এক ইউপি মেম্বার ও তার স্ত্রী। ’গত ৯ এপ্রিল রবিবার রাত ১০টায় লামা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বৈল্যার চর এলাকায় বড় স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪৫)কে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে ইউপি মেম্বার আব্দুল হাসিম’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ’আলোকিত লামা’ আইডিতে এমন মিথ্যা সংবাদ প্রচার করায় ১২ এপ্রিল বিকাল ৪টায় এ অভিযোগ করেন সদর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের ঐ মেম্বার আব্দুল হাসিম ও তার বড় স্ত্রী সেলিনা আক্তার।
জানাযায়,গত ৯ এপ্রিল রবিবার রাত ৯টার দিকে মেম্বার আব্দুল হাসিমের ছেলে হাসাইন আহমেদ শাকিলের সাথে প্রতিবেশী শাহ আলমের ছেলে লোকমান হাকিম ও সোলেমানের মধ্যে ঝগড়া হয়।ঝগড়া শুনে মা সেলিনা আক্তার দৌড়ে আসলে এক পর্যায়ে শাহ আলমের ছেলে সোলেমান ইট ছুঁড়ে মারলে ইটের আঘাতে মাথা ফেটে মেম্বারের স্ত্রী সেলিনা আক্তার অজ্ঞান হয়ে যায়।পরে সোলেমানের বাবা শাহ আলম সেলিনা আক্তারকে উদ্ধার করে লামা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করালে তখন থেকে ’সদর ইউনিয়নের বৈল্যার চর এলাকায় বড় স্ত্রী সেলিনা আক্তার (৪৫)কে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে ইউপি মেম্বার আব্দুল হাসিম’ এই সংবাদটি প্রচার হয় বলে অভিযোগ মেম্বার আব্দুল হাসিম ও বড় স্ত্রী সেলিনা আক্তারের।
স্বামী আব্দুল হাসিম বলেন,ঘটনার সময় আমি উপস্থিতই ছিলাম না।পরে জানতে পেরে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যায়।স্ত্রী সেলিনা আক্তার বলেন,ইটের আঘাতে আমি সাথে সাথে অজ্ঞান হয়ে পড়ি।সুস্থ হয়ে পরে এসব জানতে পারি।
মেম্বার আব্দুল হাসিম আরও অভিযোগ করেন,আমি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে একপক্ষ আমার পিছনে উঠেপড়ে লেগেছে।এমনকি প্রকাশ্যে ঘোষণাও দিয়েছেন,যেকোন উপায়ে আমার সদস্যপদ বাতিল করে সেখানে উপনির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন।
সোলেমানের বাবা মো. শাহ আলম বলেন,আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না।পরে এসে লোকজনের কাছে জানতে পারি মেম্বার স্ত্রীকে মেরেছে।আমি সাথে সাথে সেলিনা আক্তারকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কয়েক জনের মধ্যে ফরহাদ নেওয়াজ,মো.আমিন জানান,মেম্বার স্ত্রীকে মারার ঘটনাটি সম্পুর্ণ মিথ্যা।
মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রচার করে মানহানি করা এবং যারা এর নেপথ্যে কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিবেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এই দম্পতি।
সদর ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু কুমার সেন জানান, মেম্বারের স্ত্রীকে শাহ আলম ও তার ভাই অজ্ঞান অবস্থায় রাতে আমার কাছে নিয়ে আসেন এবং মেম্বার তার স্ত্রীকে মেরেছে বলে জানান। আগে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিতে বলি আমি তাদের। কিছুক্ষণ পরে মেম্বার এসে বলে,আমার স্ত্রীকে মেরে ওরা নিয়ে এসেছে।পরে শুনব বলে মেম্বারকেও আমি দ্রুত হাসপাতালে পাঠাই।পরেরদিন হাসপাতালে গিয়ে মেম্বারের স্ত্রী কাছ থেকে জানতে পারি তার ছেলে ও শাহ আলমের ঝগড়া শুনে দৌড়ে সেখানে গেলে শাহ আলমের ছেলের নিক্ষেপ করা ইটে তার মাথা ফাটে।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







