রোববার (৩০ এপ্রিল) শুরু হচ্ছে ২০২৩ সালের এসএসসি ও এসএসসি সমমানের পরীক্ষা। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন, যা গতবারের চেয়ে ৫০ হাজার ২৯৫ জন বেশি। ৩ হাজার ৮১০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এই পরীক্ষা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, এবারও সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে, পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ে হবে পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরু হবে সকাল ১০টায়। পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে আধা ঘণ্টা আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই কেন্দ্রে ঢুকতে হবে।
কোনো পরীক্ষার্থীকে নির্ধারিত সময়ের পর কেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলে সেই পরীক্ষার্থীর নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ ইত্যাদি তথ্য একটি রেজিস্ট্রারে লিখে রাখতে হবে। পরীক্ষার দিনই সেসব তথ্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন আকারে জমা দিতে হবে।
নিয়মানুযায়ী, ট্রেজারি বা থানা থেকে নির্দিষ্ট তারিখের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সব সেট পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঠানো হবে। তারপর পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে খুদে বার্তার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে কোন সেটে সেদিনের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, তা (কোড জানানো হয়) জানিয়ে দেওয়া হবে।
কেন্দ্র সচিব ছাড়া আর কেউ মোবাইল ফোন কিংবা ইলেকট্রনিক যন্ত্র নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন না। ছবি তোলা যায় না, এমন একটি সাধারণ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন কেন্দ্র সচিব। পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া কেউ কেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন না।







