সাধারণ ভাবে দেখলে যদিও বয়সের পার্থক্য টা একটু বেশিই মনে হচ্ছে, তবে দু-পক্ষ রাজি হলে অসুবিধার আর কি আছে।
কিন্তু কথা হচ্ছে মেয়েটি কি সত্যি রাজি হচ্ছে নাকি বাবা মার মুখের উপর কিছু না বলতে পেরে চুপ করে আছে। এখনো হয়ত সে বিয়ের ব্যপারে কিছু ভাবেওনি, পড়াশোনা আর ঘরের কাজ নিয়েই আছে। কিন্তু কয়েকদিন বাদে ভার্সিটি গেলে তার হয়ত সমবয়সী বান্ধবীদের এবং তাদের বয়ফ্রেন্ড দেখে হীনমন্যতা বোধ হতে পারে নিজের স্বামীকে নিয়ে।
- স্বামীরও স্ত্রীকে কোন সমবয়সী ছেলের সাথে কথা বলতেদেখলে সন্দেহ হতে পারে।
- রাস্তাঘাটে কেউ যদি তাদের অসমবয়সের বিবাহ নিয়ে কোন সামান্য কথা বলে ( ওমা,তোমার বৌ তো অনেক ছোট), স্বামীর মন খারাপ এবং রাগ হতে পারে, যার ঝালটা তিনি স্ত্রীর উপর ঝাড়বেন। (তুমি তো সর্বদা কচি খুকি হয়ে ঘুরে বেড়াও, তোমার তো বুড়ো বর পছন্দ নয়)। মেয়েটি হয়ত এসব কিছু ভাবেওনি কিন্তু এসব শুনে তারও রাগ হবে।
- যদি দুজনেই চাকরি করেন,স্বামী অনেক তাড়াতাড়ি অবসর নেবেন, স্ত্রী তখনো অফিস যেতে থাকবেন এবং স্বামী একাকিত্ব ভুগবেন। স্ত্রীকে কথা শোনাবেন যে তুমি তো রূপ দেখাতে অফিস যাও
- স্বামী স্ত্রীর ভাবনার মিল না হতে পারে জেনেরেশন গ্যাপের কারণে, স্বামী বয়স এবং অভিজ্ঞতার কথা বলে স্ত্রীকে চুপ করিয়ে দেবেন। স্ত্রীর রাগ হবে।
মোট কথা, দুজনে মানিয়ে চলতে পারলে বিয়ে হতে আর কি সমস্যা আছে। শুভেচ্ছা রইল








