রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার এক অধ্যক্ষ হাইকোর্টের আদেশে পুনঃ বহাল হওয়ায় শিক্ষকগণ দুইভাগে বিভক্তি হয়ে পড়েছে। জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধর্মপুর আব্দুল জব্বার ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলাম ও অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক রেহতেসামুল হক ডাকুয়া রেজা’র মধ্যে দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের কারণে মামলা চলে আসছিল। গত ২৯/০৩/২০২৩ ইং তারিখে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ রেহতেসামুল হক ডাকুয়া রেজা এর বকেয়া বেতন ভাতা প্রদানের জন্য এডহক কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে পত্র দিলে গত ০২/০৪/২০২৩ ইং তারিখে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল মারুফ কমিটির অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতিতে একক সিদ্ধান্তে অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলামকে স্বারক নং-০৫.৫৫.৩২৯১.০২২.০১. ০৫৩.২২-২৭১ পত্র মারফৎ সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করে উপাধ্যক্ষ সরর্দার মাহবুবর রহমান (বাবলু) কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব প্রদান করেন। এডহক কমিটির অন্য সদস্যদের ছাড়াই সাময়িক বরখাস্ত করাকে চ্যালেঞ্জ করে অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলাম গত ২৭/০৪/২০২৩ ইং তারিখে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। যার পিটিশন নং-৫০১৫/২৩। হাইকোর্ট বিষয়টি আমলে নিয়ে গত ৩০/০৪/২০২৩ইং তারিখে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের স্বারক নং- ০৫.৫৫.৩২৯১.০২২.০১.০৫৩.২২-২৭১ পত্রটি ৬ মাসের জন্য স্থগিত করেন। হাইকোর্টের আদেশের জাবেদা কপি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মাসুদুর রহমানের নিকট দাখিল করা হলে তিনি আইনি মতামতের জন্য জিপির নিকট পাঠান। জিপি আইনি মতামতে উল্লেখ করেন হাইকোর্ট ৬ মাসের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাময়িক বরখাস্তের পত্রটি স্থগিত করার কারণে অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলাম স্ব-পদে বহাল আছেন। হাইকোর্ট কর্তৃক রায় পাওয়ায় নিজ পদে বহাল থাকায় গত ১৮/০৫/২০২৩ইং তারিখে অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলাম তার দপ্তরে (অফিস) চেয়ারে বসেন। এ সময় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সরর্দার মাহবুবর রহমান (বাবলু) সহ তার লোকজন অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলামকে চেয়ার থেকে উঠে যেতে বলায় শিক্ষকরা দুইভাগে বিভক্তি হয়ে পড়ে। এ সময় তাদের মধ্যে বাক-বিতান্ডার শুরু হয়। কলেজ শিক্ষকদের মধ্যে দুই গ্রুপে বিভক্ত হওয়ায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের গ্রুপের শিক্ষক ছাড়াও ১৩ নং শ্রীপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মুকুল মিয়া ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পক্ষ নিয়ে অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান করার কারণে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে। চেয়ারম্যান মুকুল যুদ্ধাপরাধী মৃত্যুদন্ড সাজা প্রাপ্ত (সাবেক চেয়ারম্যান) রুহুল আমিন মঞ্জুর ছোট ভাই। তার পিতার আব্দুল জব্বার এর নামে কলেজটির নাম হওয়ায় স্থানীয়রা ও সুশীল সমাজ কলেজের নাম পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন করার ফলে অধ্যক্ষ ছামিউল ইসলাম কলেজের নাম পরিবর্তন করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পিতার নাম পরিবর্তন ও কলেজের অভিভাবক কিংবা ম্যানেজিং কমিটির কোন পদ না থাকায় চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মুকুল অধ্যক্ষের প্রতি ক্ষিপ্ত ছিল। বাকবিতন্ডার ফলে পরিবেশ পরিস্থিতির অবস্থতি হলে সুন্দরগঞ্জ থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিবেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







