(টাঙ্গাইল) জেলা প্রতিনিধি;
আওয়ামী যুবলীগের টাঙ্গাইল জেলার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশী- বিদেশী শক্তির কেউ আগামী সংসদ নির্বাচন প্রভাবিত করতে পারবে না। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে সহযোগিতা করবে।
শনিবার (২৭মে) দুপুরে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সময় কৃষি মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি যতই আন্দোলনের হুমকী দিক আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী সময় মতোই অনুষ্ঠিত হবে এবং তা সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভাবেই হবে। তিনি আরও বলেন, গাজীপুরের নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনে কোন প্রভাব ফেলবে না। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভার মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ফলাফলে অনেক কাজ করে। গাজীপুরে সুষ্ঠু সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে, আমরা সেটিই চেয়েছিলাম। আমরা আগের মতো আবারও জাতিকে দেখিয়েছি বর্তমান সরকারের অধীনে সুষ্ঠু, সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব।আন্দোলন করে আগামী নির্বাচনকে বিএনপি ব্যাহত করতে পারবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি আন্দোলন করে কোনক্রমেই বৈধ সরকারের পতন ঘটাতে পারবেনা। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি নিয়ে হতাশ ও উদ্বিগ্ন হওয়ারও কিছু নেই বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের কোন নিষেধাজ্ঞা নয়। আমরা যেটি চাই- দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে নির্বাচন, সেটিই যুক্তরাষ্ট্র আগামী নির্বাচনে দেখতে চায়। এক্ষেত্রে বিএনপিই মূল বাধা। আন্দোলন করে, সন্ত্রাস করে বিএনপি নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চায়, বানচাল করতে চায়। বিএনপি ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনকে বানচালের চেষ্টা করেছিল। সেরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন তরুণই বাংলাদেশের বর্তমান, তরুণরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তরুণদের দায়িত্ব আগামী দিনের নির্বাচনে নৌকাকে বিজয় হিসেবে নিশ্চিত করে বলেন তরুণই বাংলাদেশের বর্তমান, তরুণরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তরুণদের দায়িত্ব আগামী দিনের নির্বাচনে নৌকাকে বিজয় হিসেবে নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন গত বৃহস্পতিবার গাজীপুর নির্বাচন হয়ে গেল, এটা গণতন্ত্রের বিজয়। অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন যে কত ভালো, কত সুন্দর হতে পারে ও নির্বাচন কমিশন যে করতে পারে, সে জন্য সরকার সব ধরণের সহযোগিতা করেছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য তারানা হালিম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, ছোট মনির, আহসানুল ইসলাম টিটু, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার মমতা হেনা লাবলী, অপরাজিতা হক, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশিদ প্রমূখ।





