রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গঙ্গারহাট গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ করে সফল হয়েছে রুহুল আমিন নামে এক কৃষি উদ্যোক্তা। তার বাগানে রয়েছে ৪০ জাতের আঙুর গাছ। চলতি বছর কিছু গাছে ফলন এলেও আগামীতে এ বাগান থেকে জেলার আঙুরের চাহিদা অনেকটাই মেটানো সম্ভব বলে মনে করেন এ উদ্যোক্তা। গঙ্গারহাট এলাকায় দুই বছর আগে রাশিয়া, ইউক্রেনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে উন্নত জাতের আঙুর গাছে চারা এনে রোপণ করেন রুহুল আমিন। বর্তমানে বাগানে শোভা পাচ্ছে বাইকুনর, গ্রিনলং, একেলো, এনজেলিকা, মুনড্রপসহ বিভিন্ন জাতের থোকা থোকা আঙুর। এসব আঙুরের রং ও স্বাদ বিদেশ থেকে আমদানি করা আঙুরের মতো হওয়ায় বাড়ছে চাহিদাও। লাভজনক এ ফল চাষ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেওয়া গেলে আমদানিনির্ভরতা কমার পাশাপাশি লাভবান হতে
পারবে কৃষকরাও। রুহুল আমিনের বাগান থেকে আঙুর গাছের চারা দেশের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে। আঙুর বাগান দেখতে আসছে দর্শনার্থীরা। রুহুল আমিন বলেন, রাশিয়া, ইউক্রেনসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আঙুর গাছের চারা সংগ্রহ করে দুই বছর আগে রোপণ করেছি। বিদেশে যেভাবে আঙুর চাষ করা হয় সে কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। গত বছর কিছু আঙুর হয়ে ছিল। এ বছর আরও বেশি ফল এসেছে। আগামী বছর সব গাছে আঙুর এলে তা দিয়ে জেলার চাহিদা অনেকটাই মেটানো সম্ভব হবে। এ ছাড়া কৃষি অধিদপ্তর পলি শেড করে দিলে বছরে তিনবার আঙুর ফলানো সম্ভব হবে। কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত বলেন, জেলা সদরের বেলগাছা ও ফুলবাড়ী উপজেলার গঙ্গারহাট এলাকায় দুজন কৃষক বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ করছে। তাদের মধ্যে রুহুল আমিন একজন। বেশ সফলতা পাচ্ছে তিনি। আঙুরের রং ও স্বাদ দু’টিই ভালো।
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ...







