https://youtube.com/shorts/yRXQOAwXWTI
ইয়াসিন আহমেদ
পল্লবীর আতঙ্ক ভূমিদস্যু ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক খলিলুর
রহমান ওরফে কশাই খলিলকে প্রধান আসামী করে ১০ জনের নামে ও অজ্ঞাতনামা
১০-১৫ জন উল্লেখ করে ২ জুলাই পল্লবী থানায় হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করা
হয়েছে।
ভূক্তভূগী পরিবার, পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজধানীর
পল্লবীতে থানায় চাঁদাবাজী ও হামলার অভিযোগ করায় বাদীর ভাইকে গুুরুতর আহত
করেছে দূর্বিত্তরা। এতে অন্তু নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে পা ও মাথা ভেঙ্গে
দেয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন হসপিটালে (ইসলামী ব্যাংক হসপিটাল, কুর্মিটোলা
হসপিটাল) রুগীকে ভেরত দেওয়ার পর ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হসপিটালে ভর্তি করে।
কিন্তু, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হসপিটালে আইসিআউ ফাকা না থাকার কারণে সেখান
থেকে ফেরত দিলে বেসরকারী হসপিটাল গ্রিন লাইফের আইসিইউতে জীবন-মৃত্যুর
সন্ধিক্ষনে রয়েছে অন্তু।
গত ১ জুলাই (শনিবার) বিকেলে চাঁদা না দেওয়ায় মাটি ভরাটের কাজ করা স্থানীয়
ব্যবসায়ী মান্নানের উপর হামলা করে ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ
সম্পাদক কশাই খলিলের ভাই কশাই সাদ্দামসহ তার গ্রুপ। এই বিষয়ে মান্নানের
স্ত্রী রাবেয়া খাতুন বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পর রাত ৮টার দিকে
হামলা চালায়। এই সময় মান্নানকে না পেয়ে রাবেয়া খাতুনের ভাই অন্তুর উপর
হামলা চালায়। কুপিয়ে তার পা ভেঙ্গে দেয় এবং মাথা থেতলে দেয়। এতে তার
মৃত্যু হয়েছে ভেবে সন্ত্রাসীরা এলাকা ছাড়ে। পরবর্তীতে অন্তুকে ইসলামী
ব্যাংক হসপিটালে নিলে তারা রুগীর গুরুতর অবস্থা বিবেচনা করে কুর্মিটোলা
হসপিটালে রেফার করে। সেখানে নেওয়ার পর রক্ত বুমি করা শুরু করলে, অন্তুকে
ঢাকা মেডিক্যালে রেফার করে। ঢাকা মেডিক্যালে আইসিইউ ফাকা না থাকাতে
পরবর্তীতে গ্রীন লাইফ হসপিটালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
ইতিমধ্যে এই ঘটনায় কশাই খলিল
https://youtube.com/shorts/zLTNpDFONBM ভিডিও লিং
এই বিষয়ে জানতে চাইলে, ভূক্তভূগী মান্নান বলেন, কশাই খলিলের ভাই কশাই
সাদ্দাম দীর্ঘদিন থেকে চাঁদা দাবী করে আসছিল। তাকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার
পর আরো ১০ লাখ টাকা না দেওয়াতে হামলা চালায়। এই সময় আমাকে হত্যার
পরিকল্পনা করা হয়। স্থানীয়ভাবে জানতে পেরেছি, কশাই খলিল আমাকে হত্যার
জন্য ৯ সদস্যের কমিটি করে দেয়। কমিটি করে মামলায় যাতে তার নাম না আসে,
তাই সে বিদেশে চলে যায়। আল্লাহ এর অশেষ রহমতে আমি বেচে গেলেও, আমার
শ্যালক হয়তো আর বাচবে না।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই তাপস জানান, আমরা
আসামীদের ধরতে অভিযান পরিচালনা করছি।







