ঢাকা: চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে লড়বে বাংলাদেশ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায়।
এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জিতে নিয়েছে সফরকারীরা। বাংলাদেশের সামনে শঙ্কা ৯ বছরের বেশি সময় পর ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার।
২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সবশেষ ঘরের মাঠে কোনো সিরিজের সব ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। এরপর চলতি সিরিজের আগে ১৭টি সিরিজের মধ্যে তারা জিতেছে ১৪টি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে যাওয়া দুই সিরিজেই জয় একটি করে। ভারতের বিপক্ষে সিরিজে বৃষ্টিতে ভেসেছে এক ম্যাচ।
বৃষ্টির কারণে তৃতীয় ম্যাচের আগের দিন অনুশীলন করতে পারেনি বাংলাদেশ। পরপর দুই দিন হোটেলবন্দী অবস্থায়ই কাটে স্বাগতিক ক্রিকেটারদের সময়। দুপুরে মাঠে এসে শুধু সংবাদ সম্মেলন করেন পোথাস।
মাঠ ও মাঠের বাইরে পরিস্থিতি যখন গুমোট, তখন দলকে উজ্জীতি করার দায়িত্ব কোচিং স্টাফের। তবে কোচদের চেষ্টার চেয়ে ক্রিকেটারদের পেশাদারিত্বের ভূমিকাই এখানে বেশি দেখছেন সহকারী কোচ।
“আমরা এখানে পেশাদার ক্রিকেটারদের ব্যাপারে কথা বলছি৷ নিজেদের কাজ সম্পর্কে তারা খুবই পেশাদার। তো আমাদের তরফ থেকে খুব বেশি অনুপ্রাণিত করতে হয় না। তারা সবসময় প্রস্তুত। এটি দারুণ সব খেলোয়াড়ের দল।”
ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ও দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান লিটন দাস এই ১৪ ম্যাচে স্রেফ ২৫ গড়ে করেছেন ৩২৫ রান। সাকিব আল হাসান ১২ ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৪.৭৫ গড়ে করেছেন ৪১৭ রান।
ব্যাটসম্যানদের এই পারফরম্যান্সেও দুর্ভাবনার তেমন কিছু দেখেন না পোথাস। বরং এশিয়া কাপ ও বিশ্বকাপের আগে আফগানিস্তানের স্পিন চ্যালেঞ্জকে নিজেদের প্রস্তুতির সুযোগ হিসেবেই নিচ্ছেন সহকারী কোচ।
“পরিসংখ্যানের কথা যদি বলেন, তাহলে বিশ্বের যে কেউই বলবে যে আমরা এরকম কিছুর চেষ্টা করছি না। তাহলে বলতে পারেন, এমন ফলাফল কেন হয়েছে? তা জিজ্ঞেস করলে, আফগানিস্তানের স্পিনের আলোচনায় যেতে হয়।”








