বিবাহিত মেয়েকে বিয়ে করলে, সবচেয়ে বড় উপকার, মেয়েটির পোড়-খাওয়া জীবনের অভিজ্ঞতা। মেয়েটির অতীত অভিজ্ঞতা, তাকে নমনীয় হতে, মেনে-নিতে ও মানিয়ে নিতে শেখায়।
আমার ভাইের স্ত্রী, বছর দেড়েক আগে, করোনা-কালে মারা যায়, আমার বর্তমান ভ্রাতৃ-বধূ ডিভোর্সি। ওদের ফ্রী ম্যাট্রিমনি আপসের মাধ্যমে সম্মন্ধ বা যোগাযোগ করা হয়েছিলো। আমি মেয়েটির ফোনিং সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম এবং মেয়েটি ওর মাকে নিয়ে, আমার ভাইকে দেখতে এসেছিলো।
মেয়েটি বলেছিলো ও বাড়ির অমতে, প্রেম করে বিয়ে করেছিলো কিন্তু আত্ম-সম্মানে আঘাত লাগার কারণে মিউচুয়াল ডিভোর্স করতে বাধ্য হয়।আমি তখন চিত্র-নায়ক,প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের একটি সাক্ষাৎকারের কথা জানাই।প্রসেনজিৎ বলেছিলেন, দেবশ্রী রায়ের সাথে ডিভোর্সের কারণ ছিলো,তিনি যথেষ্ট ম্যাচিওর ভাবে, সম্পর্কটি হ্যাণ্ডেল করতে পারেন নি।আজকের প্রসেনজিৎ অর্থাৎ ম্যাচিউর প্রসেনজিৎ হলে, তাদের ডিভোর্স নাও হতে পারতো।তো পলি বলেছে, “হ্যাঁ দাদা !! আপনি ঠিক বলেছেন, আমিও প্রপারর্লি রিলেশনশিপটি হ্যাণ্ডেল করতে পারি নি। আজকের দিন হলে, আমি হয়তো সম্পর্কটি কনটিনিউ করতে পারতাম।” আমি নিজে প্রথম এসেছি কারণ আপনার ভাই এবং পারিপার্শ্বিক সবকিছু যাচাই করে দেখে নিতে।আমি ডিভোর্সের পরে,মানসিক ট্রমা’র মধ্যে রয়েছি,আপনাদের আশীর্বাদ থাকলে, আশা রাখি আমি সবকিছুর সাথে মানিয়ে নিয়ে, সংসার করতে পারবো।
এটাই হচ্ছে, একজন বিবাহিত মেয়ের ম্যাচিওরিটি বা পরিণত বোধের পরিচয় অর্থাৎ অভিজ্ঞতা। বিবাহিত মেয়ে বিয়ে করার উপকার হচ্ছে তার জীবনের পোড়-খাওয়া অভিজ্ঞতা। সে অনেককিছু মেনে ও মানিয়ে নিতে পারবে।তাঁর নমনীয়তা, আপোষকামী মানসিকতা, দাম্পত্য জীবনের স্থায়িত্ব বৃদ্ধির সহায়ক হবে।








