ফাইনালে ওঠার চাপ বাংলাদেশ নিতে পারেনি। ভারতের কাছে ইমার্জিং এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে হেরে গেছে ৫১ রানে।
লক্ষ্যটা ছিল জেতার মতো। ২১২ রান। শুরুটা হয় দারুণ। নাঈম হাসান ও তানজিদ হাসান তামিমের আগ্রাসী ব্যাটিং। ওপেনিংয়ে ৭০ রান তুলে ভাঙে এ জুটি। তারপরই ধাক্কা। ১০০ রানে নেই ৩ উইকেট।
নাঈম ৩৮ ও তামিম ৫১ রানে ফিরে যান। জাকির হাসান ৫ রানে প্যাভিলিয়নে। সাইফ হাসান ও মাহমুদুল হাসান জয় ওই ধাক্কা সামলে নেন। কিন্তু ২৩ রানের জুটি ভেঙে বড় বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ১১ রানের ব্যবধানে ৩ ব্যাটারের বিদায়।
১৩৪ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। মাহমুদুল হাসান জয়, রাকিবুল হাসানরা দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ। ১৬০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
শুরুতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২৯ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় ভারত। অষ্টম ওভারে এসে বাংলাদেশকে প্রথম উইকেট এনে দেন তানজিম হাসান সাকিব। তার বলে ২৪ বলে ২১ রান করা সাই সুদর্শন উইকেটরক্ষক আকবর আলীর হাতে ক্যাচ দেন।
এরপর ৩৬ রানের জুটি গড়েন অভিষেক শর্মা ও নিকিন জোস। এই জুটির ভেতর বেশ কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত দেন আম্পায়াররা। রাকিবুলের বলে নিকিন জোসকে স্টাম্পিং দেননি তৃতীয় আম্পায়ার ফয়সাল আফ্রিদি। টিভি রিপ্লে দেখে অবশ্য মনে হয়েছে, আউট ছিলেন জোস। এরপর সাইফ হাসানের বলে একটি এলবিডব্লিউ থেকেও বেঁচে যান ভারতীয় ব্যাটার।
দলকে উইকেটও শেষ অবধি এনে দেন সাইফই। তার বলে মিড উইকেটে দাঁড়ানো জাকির হাসানের হাতে ক্যাচ দেন জোসে। এরপর ভেঙে পড়ে ভারতের ব্যাটিংয়ে। স্কোরকার্ডে একশ রান হওয়ার আগেই হারায় আরও দুই উইকেট।
৬৩ বল খেলে ৩৪ রান করে রাকিবুল হাসানের বলে ক্যাচ দেন অভিষেক শর্মা। এরপর ১৬ বলে ৫ রান করা নিষাদ সিন্ধুকেও ফেরান তিনি। ২৪ বলে ১২ রান করা রিয়ান পারাগকে বোল্ড করে উল্লাসে মাতেন তানজিম হাসান সাকিব।
এরপর দুই উইকেট নিয়ে ভারতের রান লম্বা না হওয়ার কাজটি সারেন শেখ মাহেদী হাসান। ৩ বলে ১ রান করা ধ্রুব জুরেলকে এলবিডব্লিউ ও ১৪ বলে ৯ রান করা হারশিত রানাকে ক্যাচ আউট করেন মাহেদী।
এরপর ভারতকে অনেকটা একাই টেনে নেন অধিনায়ক ইয়াশ দুল। রিপন মণ্ডলের করা শেষ ওভারে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৮৫ বলে ৬৬ রান করেন তিনি। শেষদিকে ২৪ বলে ২১ রান করে মানব সুতার ও ১২ বলে ১৫ রান করেন রাজবর্ধন হাঙ্গার্গেকার। বাংলাদেশের পক্ষে দুই উইকেট করে নেন মাহেদী, তানজিম সাকিব ও রাকিবুল হাসান।








