রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: অংশগ্রহণমূলক, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক সকল দলের মধ্যে সংলাপ ও পার¯পরিক সমঝোতা হওয়া প্রয়োজন। বিরাজমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে দলগুলোকে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়েই তা নির্ধারণ করতে হবে। বিরাজমান পরিস্থিতি অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের জন্য অনুকূল নয়। এ কারণে বিদেশি শক্তি হস্তক্ষেপের সুযোগ নিচ্ছে। নির্বাচন ইস্যুতে বাংলাদেশে বিশ্ব মোড়লদের খবরদারি দুঃখজনক। গতকাল শনিবার দুপুরে রংপুর প্রেসক্লাব চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে সচেতন নাগরিক ও বিশিষ্টজনরা এ মন্তব্য করেন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার আহ্বানে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) রংপুর মহানগর ও জেলা কমিটি এ মানববন্ধনের আয়োজন করে। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সমমনা জোট চায় বর্তমান সংবিধানের আলোকে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। অপরদিকে বিএনপিসহ আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলগুলো চায় নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন। বিএনপিসহ বিভিন্ন দল ইতোমধ্যেই সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করেছে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, রাজপথ ততই উত্তপ্ত হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলোর পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে জনদুর্ভোগ বাড়ছে। রাজপথে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। দেশ-বিদেশে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যে ধরনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তাতে দুঃখ প্রকাশ করেন বিশিষ্টজনরা। তারা বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত অবিলম্বে তাদের অবস্থান পরিবর্তন করা। তাদের মধ্যে সমঝোতা হওয়া জরুরি। যদি না হয় তাহলে সামনের দিনগুলোতে জাতিগতভাবে চরম সাংঘর্ষিক পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হতে পারে। দেশ চলে যেতে পারে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে, যা কারোই কাম্য নয়। মানববন্ধনে সুজন রংপুর মহানগরের সভাপতি অধ্যক্ষ খন্দকার ফখরুল আনাম বেঞ্জুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মহানগরের সাধারণ স¤পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) মোহাম্মদ নাসিম, সহ-সাধারণ স¤পাদক সাজ্জাদ হায়দার স্বাধীন, মহিলা পরিষদের সাধারণ স¤পাদক রুম্মানা জামান, বিকশিত নারী নেটওয়ার্কের সভাপতি সামসি আরা জামান কলি, জনস্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক বেলাল আহমেদ প্রমুখ। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনস্বার্থে অবিলম্বে সংলাপে বসে সমঝোতায় আসার আহ্বান জানিয়ে সুজন নেতৃবৃন্দ বলেন, সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানসহ জনপ্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে শক্তিশালী করতে হবে। দলীয়করণের প্রভাবমুক্ত রাখা ও নিয়োগ আইন প্রণয়ন এবং আইনের ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি মেনে বাংলাদেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে আলাপ-আলোচনা ও প্রয়োজনে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরামর্শের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সাবেক ইউপি...








