আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের রাজনীতিতে তরুণ নেতৃত্বের আইডল বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আবুল বাসার সুজনকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে একটি অশুভচক্র আবারো নানা অপতৎপরতা শুরু করেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে খুব অল্প সময়ে তরুণ সমাজের কাছে সুজন অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব হয়ে উঠেছে। যাদের নেপথ্যে মদদে সুজনের বিরুদ্ধে মানহানিকর ও মিথ্যা গুজব ছড়ানো হচ্ছে। তারা রাজনীতি করে যেখানে পৌঁছাতে চাই, সেখান থেকে সুজনের রাজনীতি শুরু। সুজনের আচারণ ও রাজনৈতিক দুরদর্শীতায় তৃণমুলে তরুণ সমাজের মধ্যে যে জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে সেটা অনেকে মেনে নিতে পারছে না। সুজন তরুণ সমাজের প্রাণশক্তি ও সাহসের অনুপ্রেরণা। অন্যরা যেখানে ব্যর্থ সুজন সেখানেই সফল, যার প্রমাণ তানোর পৌরসভা নির্বাচন। পৌরসভা সৃষ্টির পর প্রথম বারের মতো আওয়ামী লীগের মেয়র নির্বাচিত হয়েছে, যার সিংহভাগ কৃতিত্ব সুজনের।
জানা গেছে, দেশের অধিকাংশ ভোটার তরুণ ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী। এরা জামায়াত-বিএনপির দুঃশাসন দেখেনি, দেখেছে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন ও অর্জন। ফলে এসব তরুণ ভোটারদের ঐক্যবদ্ধ করে নৌকার পক্ষে নিয়ে আশা সুজনের প্রধান টার্গেট। যেখানে তিনি শতভাগ সফল। তরুণ সমাজের এই জাগরণ ধরে রাখতে পারলে নৌকার বিজয় নিশ্চিত। এদিকে সুজনকে ঠেকাতে বিশেষ মহলের ইন্ধনে শুরু হয়েছে সুজন বিরোধী প্রচারণা। কখানো বলা হচ্ছে সুজন আওয়ামী লীগের কেউ না হয়েও আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে, কখানো বলা হচ্ছে স্কুল কলেজ ইজারা নিয়ে ৬০ কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্যে করেছে ইত্যাদি। অথচ এসব অভিযোগের কোনো তথ্য-প্রমাণ নেই কারো কাছে। শুধুমাত্র সাংসদের হাতকে দুর্বল করতেই সুজনবিরোধী এসব প্রচারণা।
তৃণমুলের ভাষ্য, দল রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায়, এমপি, উপজেলা ও ইউপি চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরাও সরকার দলীয় তার পরেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছিল অনেকটা অসহায়। আওয়ামী লীগবিরোধীরা তাদের সব সময় দমিয়ে রাখতেন। স্থানীয়ভাবে কর্মীদের সেল্টার দেবার মতো কেউ ছিলনা। এমনকি দল ক্ষমতায় থাকার পরেও উপজেলা চেয়ারম্যানের নিজ গ্রামে তার উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, হামলা হয়েছে তৃণমুলের নেতাকর্মীদের ওপর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নেতাদের চরিত্র হনন করা ছিল সাধারণ ঘটনা।
এসব নিয়ে আওয়ামী লীগের আদর্শিক নেতা-কর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হলেও প্রতিবাদ করতে পারেনি।
স্থানীয় সাংসদের আহবানে সাড়া দিয়ে আবুল বাসার সুজন রাজনীতিতে সক্রিয় হবার পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সেই দুঃসহ যন্ত্রনার দিন শেষ হয়েছে। এখন তাদের আঘাত করলে তারা পাল্টা আঘাত করতে পারে, তাদের এই সাহস ও অনুপ্রেরণার নাম সুজন। তানোর পৌরসভা নির্ভর রাজনীতি করতে গিয়ে, নেতাকর্মীসহ আম-জনতার কাছে সুজন এতোটাই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, এখন তাকে উপজেলা জুড়ে রাজনীতি করার জন্য তৃণমুল একট্টা হয়ে প্রতিনিয়ত তার উপর চাপ দিচ্ছেন।
স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর আহবান ও দিকনির্দেশনায় তিনি ইতমধ্যে আদর্শিক ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছেন। রাজনীতিতে স্বদিচ্ছা থাকলে যে পদ পদবী না থাকলেও মানুষের সেবা করা যায়, মানুষের কাছে আপন হয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করা যায় সুজন তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ইতমধ্যে তিনি দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের হৃদয়ে পৃথক স্থান অধিকার করে নিয়েছেন।
এদিকেে রাজনীতিতে সুজনের এমন অপ্রত্যাশিত উঙ্খানে একটি বিশেষ মহলের রাতের ঘুম হারাম হয়েছে এবং রাজনীতিতে জনসমর্থন হারিয়ে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। বিশেষ মহল রাজনীতিতে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য হারানোর জন্য সুজনকে দায়ি করে তার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা শুরু করেছে। কিন্ত্ত কোনো কিছুতেই সুজনের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে পারছে না। সুজনকে ঠেকাতে যারা মরিয়া এবার তাদের বিরুদ্ধে আমজনতা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
এবিষয়ে আবুল বাসার সুজন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর তিনি একজন কর্মী। তিনি বলেন, আমাদের সবার অভিভাবক সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর সিদ্ধান্তের বাইরে তার কোনো কথা নাই, তবে তিনি চাইলে যেকোনো দায়িত্ব নিতে তিনি প্রস্তুত রয়েছেন।#
Post Views: 542
Related