ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের মামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কোবরাকে আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে এরেস্ট করে মিরপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তার অপরাধ ছিল একটা অনলাইন টকশোতে এঙ্করিং করা। যেখানে অতিথি হিসেবে একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ছিলেন। সেই অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মামলাটি হয় এবং উপস্থাপিকা হিসেবে থাকা খাদিজাতুল কোবরা কে এরেস্ট করে পুলিশ। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট এমন এক কালো আইন, যার মাধ্যমে চাইলেই আপনি যা বলেন নাই বা করেন নাই তারজন্য ও আপনাকে ভুগতে হতে পারে।
সেদিনের টক-শোতে করা প্রশ্নগুলো নিচে দিয়ে রাখছি👇
মেয়েটি কিডনি রোগে আক্রান্ত, কিডনিতে পাথর নিয়ে অন্ধকার কনডেম সেলে বন্দি রয়েছে এতদিন যাবত।
আমলে নেওয়া হয়নি বয়সঃ- ২০২০ সালে খাদিজার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের সময় খাদিজার বয়স ছিল ১৭ বছর। তাঁর বোন সিরাজুম মুনিরা বলেন, বিচারের সময় তার বয়সকে আমলে নেওয়া হচ্ছে না। এটি যদি আমলে নেওয়া হয়, তাহলে তার বিচার হবে শিশু আদালতে। উচ্চ আদালতের কাছে খাদিজার মুক্তি দাবি করে তিনি আরও বলেন, খাদিজা মেধাবী শিক্ষার্থী। তার জীবন কারাগারে শেষ হতে পারে না। উচ্চ আদালত খাদিজার বয়স এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের সিদ্ধান্তের বিষয়টি বিবেচনা করে তাকে মুক্তি দেবেন– এটাই প্রত্যাশা তাঁর।
অতিথির মন্তব্যের জন্য উপাস্থপককে এরেস্ট করা ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের নামে নাগরিক হয়রানি ও বাকস্বাধীনতায় নগ্ন হস্তক্ষেপ।
👆খাদিজার মুক্তির জন্য রাস্তায় দাঁড়ালেন জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ “মহানগর” নির্মাতা আশফাক নিপুণ।👆
সে একটা পোস্ট করেছে ফেসবুকে, নিচে দিয়ে দিচ্ছি। 👇
গত বছর এই দিনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী খাদিজাতুল কুবরা (বয়স ২০) কে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয় এক ওয়েব শো সঞ্চালনা করার অভিযোগে। গত এক বছরে বহুবার জামিনের আবেদন করা হলেও তার জামিন হয়নি। খাদিজার পরিবারের মতে তার কিডনিতে স্টোন পাওয়াও গেছে। সে অসুস্থ। সকল বর্ষপূর্তি আনন্দের হয়না। কিছু বর্ষপূর্তি হয় লজ্জার। খাদিজার ৩৬৫ দিন কারাগারে থাকাও আমাদের জন্য লজ্জার। অবিলম্বে খাদিজার নি:শর্ত মুক্তি চাই। নাগরিকের প্রতি সকল প্রকার হয়রানির অবসান চাই।
#FreeKhadizatulKobra #freekhadiza







