রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: রংপুর ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চলে অনেক বাড়িঘরে পানি প্রবেশ করেছে। রংপুরের গঙ্গাচড়ায় গ্রামরক্ষা বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গাইবান্ধার চরাঞ্চলের ৭ ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দি হয়েছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর, বেলকা, কাপাসিয়া, শ্রীপুর, তারাপুর, কাপাসিয়া ও চন্ডিপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চলের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনজু মিয়া বলেন, গত বুধবার বিকাল থেকে লোকজন ঘরবাড়ি ছাড়তে শুরু করে। অনেকে তাদের গবাদিপশু নিয়ে নৌকা, বাঁধ ও উচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। কেউ কেউ চৌকি উঁচু করে ঘরেই রয়েছে। জেলা প্রশাসনের ত্রাণ শাখার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা জুয়েল মিয়া বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় মাইকিংয়ের পাশাপাশি বন্যাকবলিত এলাকায় শুকনো খাবারসহ বন্যার্তদের উদ্ধারে দুটি নৌকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রংপুরের গঙ্গাচড়ার লক্ষ্মীটারি ইউনিয়নের ইছলি চরে বৃহ¯পতিবার ভোরে তিস্তার প্রবল স্রোতে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ করা গ্রামরক্ষা বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি ও গাছপালা ভেসে গেছে। কয়েকশ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী বলেন, দ্রুত বাঁধ নির্মাণ না হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে যাবে। গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না নাহিদ বলেন, স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত গ্রামরক্ষা বাঁধটি ভেঙে তেমন ক্ষতি হয়নি। দুই-তিনটি ঘরে পানি প্রবেশ করেছে। বন্যার পানিতে প্রায় ১০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সাবেক ইউপি...








