আজ ৭ অক্টোবর-২০২৩ইং, রোজ: শনিবার সকাল: ১১:০০ঘটিকায় গ্রীণ বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন ও ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টারের যৌথ উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিশ্ব শোভন কর্মদিবস-২০২৩ইং উপলক্ষে শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
গ্রীণ বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন ও ন্যাশনাল ওয়ার্কার্স ইউনিটি সেন্টারের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস এর সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি সুইটি বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ ফরিদ উদ্দীন, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রুজিনা আক্তার সুমি, কেন্দ্রীয় নেতা মোসাঃ খাদিজা বেগম, সালমা, আমেনা, মিরপুর আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ তাহেরুল ইসলাম প্রমুখ।
সংহতি বক্তব্য রাখেন জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট-বাংলাদেশ এর সভাপতি মাহতাব উদ্দিন সহিদ, বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মিয়া।
সভাপতির বক্তব্য ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস বলেন শ্রমিকদের মেহনতের ওপর দিয়েই তৈরি হয় উঁচু উঁচু ইমারত। অর্থনীতির চাকা তরতর করে ঘোরে তাদের ঘামে ভেজা শ্রমের ফলে। দেশ এগিয়ে যায়, প্রযুক্তি হয় উন্নত। এগিয়ে যায় সভ্যতা। কিন্তু যাদের শ্রমেঘামে এই উন্নতি, দিন শেষে তারাই থাকেন অবহেলিত, বঞ্চিত। আমাদের অর্থনীতিতে যে দুটি সেক্টর বেশি অবদান রাখে, সে দুটি হলো পোশাকশিল্প ও রেমিট্যান্স। কিন্তু অর্থনীতিতে অবদান রেখেও তারা কম অবহেলার শিকার নয়! অনেককে বলতে শোনা যায়, ‘গার্মেন্টেসে কাজ নিলে বোঝা যায়, পৃথিবী কতটা কঠিন!’ পোশাকশিল্প খাতে বাংলাদেশ ভালো অবস্থানে রয়েছে, যা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য গৌরবের। কিন্তু যাদের শ্রমের ফলে আজকের এ সাফল্য, তাদের প্রতি অবহেলা, ন্যায্য পারিশ্রমিক ও সুযোগ-সুবিধা না দেওয়া কখনো কাম্য নয়। বর্তমানে প্রতিটি নিত্যপন্যের মূল্য অস্বাভাবিক মাত্রায় বৃদ্ধিসহ দৈনিক জীবনযাপনের সামগ্রিক ব্যয় প্রায় দ্বিগুন হয়ে যাওয়ায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের ৬৫% বেসিক, বাৎসরিক কমপক্ষে ১০% মজুরি বৃদ্ধি এবং সর্বোচ্চ ৫টি গ্রেড কাঠামোয় গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ২৩০০০ টাকা মজুরি নির্ধারন করা উচিত।
বক্তাগন বলেন এসডিজি অর্জনের অভীষ্ট লক্ষ্যসমূহের মধ্যে শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আমরা কি সে লক্ষ্য পূরণ করতে পারছি? উন্নয়নের জন্য যারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, তারাই যদি ভালোভাবে জীবনযাপন করতে সমর্থ না হন, তাহলে সে উন্নয়ন কতটা টেকসই হবে, সেটাই বড় প্রশ্ন। আজ নারীরা কর্মক্ষেত্রে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত হন অনেক শ্রমিক। ঈদে কিংবা উৎসবে অনেককে পরিবার থেকে দূরে থাকতে হয়। রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে মধ্যপ্রাচ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যারা শ্রম দিয়ে দেশে রেমিট্যান্স নামক সোনার হরিণ পাঠান, দিন শেষে তাদেরই পদে পদে হয়রানির শিকার হতে হয়। আমরা যদি রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যাই, একদিন তারাও আমাদের ভুলে যাবেন। দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাক এটাই সবার চাওয়া। এই অর্থনীতি এগিয়ে নিতে যারা দিনরাত মেহনত করে যাচ্ছেন তাদের কথা ভুলে গেলে চলবে না। তাদের সম্মান করতে হবে, তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকদের জন্য কর্মপরিবেশ সুন্দর ও নিরাপদ করতে হবে। কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা- সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত হলে এসডিজির অভীষ্ট লক্ষ্যে অর্জিত হবে। আমাদের সব ধরনের কাজকে সম্মান করতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গিতে আনতে হবে পরিবর্তন।
অপ্রতিমের হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
কুমিল্লা: অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লার...








