এম,ডি রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি-দিনাজপুর বিরামপুরে ছেট যমুনা নদীতে রাবার ড্যাম নির্মাণের জের দাবি জানান এলাকার কৃষক গন। উক্ত রাবার ড্রাম নিমার্ণ এখন সময়ের দাবির মধ্যে পড়েছে। এবিষয়ে আজ (১৩ অক্টোবর -২০২৩) দিনাজপুর বিরামপুর উপজেলাধীন এলাকায় ছেট যমুনা নদীতে রাবার ড্যাম নির্মাণ সেচ সুবিধায় হাজার একর জমি আওতাধীন থাকার বিষয়ে জানা যায়,জেলার বিরামপুরে ছোট যমুনা নদীতে রাবার ড্যাম নির্মাণ হওয়া একান্ত হয়ে উঠেছে। উক্ত বিষয়ে এলাকার জনসাধারণ জানান,রাবার ড্রাম নির্মাণ হলে সেচ সুবিধা পাবে কৃষকের হাজার একর জমি।
উল্লেখ্য,বিরামপুর থেকে পার্শ্ববর্তী দুইটি উপজেলা সংযুক্ত রয়েছে। ছোট যমুনা নদী বয়ে যাওয়া নদীটি খননের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। নদীর যে কোন এলাকা রাবার ড্যাম নির্মাণ করলে কয়েক হাজার একর জমি চৈত্র মৌসুমে সেচ সুবিধা পাবে এলাকার কৃষকেরা। উক্ত যমুনা নদীটি দেড়শ বছর ধরে খনন না করার কারনে নদীর উপরের অংশে পলি জমেছিল। চৈত্র মৌসুমে এই নদীতে আর কোনো পানিই থাকতনা না,শুধু ধু-ধু করছিল বালিচর।
এমন অবস্থায়ও চর এলাকায় স্থানীয় কৃষকেরা সেখানে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করে থাকেন। কিন্তু এখন নদীটি খনন হওয়ায় বেশ পানি থাকবে ও কৃষকেরা প্রচুর পরিমাণে চাষাবাদের জন্য সেচ সুবিধা পাবে। নদীটি খননের পূর্বে মরা নদীতে পরিনত হয়েছিল। সরকার বর্তমানে দেশের নদীগুলোকে খনন করার সাথে বিরামপুর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত নদীটি খনন করে জনগণের শেষ সুবিধার বিশেষ ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যমুনা নদীর ওপর রাবার ড্যাম নির্মাণ করলে সারা বছর এই যমুনা নদীতে পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। আর এই পানি দিয়ে কৃষকেরা শত শত বিঘা জমি চাষাবাদ করতে পারবে। উক্ত নদীতে রাবার ড্রাম নির্মাণ করলে হাজার হাজার জমির শেচ সুবিধার আওতায় আসবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কিন্তু কবে নাগাদ এই রাবার ড্যাম নির্মাণ হবে এলাকাবাসী তা বলতে পারে না। সারা বছর পানি ধারণ থাকলে মৎস্যজীবীরা মাছ চাষও করতে পারবে এবং তাদেরও জীবন-জীবিকার পথ প্রশস্ত হবে। এবিষয়ে এলাকাবাসী বহুবার রাবার ড্যাম নির্মাণের জন্য নদীটি খননের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এবং স্থানীয় প্রতিনিধিদের বলার হয়নি। যার কারণে বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি প্রচুর পরিমানে থাকবে।
এই নদীর পানিকে সংরক্ষণ করতে পারলে একদিকে যেমন কৃষকেরা লাভবান হবে অন্যদিকে মাছ চাষিরাও লাভবান হবেবলে আশা করছেন স্থানীয় জনসাধারণ। এ নদীটি সংস্কার করার লক্ষ্যে স্থানীয় জনগণ পানিসম্পদ মন্ত্রী ও স্থানীয় মন্ত্রণালয় কে সাধুবাদ জানিয়েছেন। বিরামপুর উপজেলায় উক্ত রাবার ড্রামটি নির্মাণ হলে পার্শ্ববর্তী কয়েকটি উপজেলার কৃষকেরা সেচ সুবিধা পাবে বলে আশা প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে স্থানীয় জনসাধারণ উক্ত ছোট যমুনা নদীতে একটি রাবার ড্রাম নির্মাণ করার জোর দাবি জানান।
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য
পলাশবাড়ী উপজেলায় গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার এলাকায় চাঞ্চল্য মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ স্টাফ রিপোর্টার গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় সাবেক ইউপি...








