এর আগে শুক্রবার (১০ নভেম্বর) ভোরে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা চন্দ্রগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এম মাসুদুর রহমানের বাড়ি চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দেওপাড়া থেকে আজাদ হোসেনকে আটক করে।
আজাদ চন্দ্রগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি। গত ৮ অক্টোবর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে বহিষ্কার করে জেলা ছাত্রলীগ। তিনি সদর উপজেলার দিঘলী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ খাগুড়িয়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে। আজাদ চন্দ্রগঞ্জ থানা ছাত্রলীগ নেতা মাসুদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।
উপ-নির্বাচনের দিন নৌকায় অনবরত সিল মারার ভিডিও ভাইরালের ঘটনার পর থেকেই মাসুদের বাসায় আজাদ আত্মগোপনে ছিল বলে ধারণা করছে স্থানীয় লোকজন।
গত ৫ নভেম্বর লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ১টি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নের ১১৫টি কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে দিঘলী ইউনিয়নের দক্ষিণ খাগুড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা আজাদ ব্যালট বইয়ে নৌকা প্রতীকে অনবরত সিল মারেন। এ ঘটনার ৫৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। তাতে ৪৩টি ব্যালট পেপারে নৌকা প্রতীকে সিল মারতে দেখা গেছে।
এ নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই আসনের ফলাফলের গেজেট স্থগিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে জেলা প্রশাসক, জেলা পুলিশ সুপার ও উপনির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তাকে পৃথকভাবে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।






