নিবার্চন কমিশনার আনিছুর রহমান বলছেন, ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি যে জাতীয় সংসদ নিবার্চন অনুষ্ঠিত হবে সেটার দিকে তাকিয়ে আছে বিশ্ববাসী। এ নির্বাচনের ওপর আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক অনেক কিছুই নির্ভর করছে।
সব প্রার্থীদের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা ৫ জন নির্বাচন কমিশনার রয়েছি। কাউকে খুশি করার জন্য অথবা কাউকে অখুশি করার জন্য বলছি না। আপনারা সুন্দর পরিবেশে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট চান। যদি কোথাও কোনো প্রার্থী অসুস্থ কাজ, অন্যায় কাজ করে তাদের বিরুদ্ধে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিষ্কার নির্দেশনা দেওয়া আছে, কেউ বিশৃঙ্খলা অথবা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে চাইলেই তার প্রার্থিতা বাতিল করা হবে। প্রয়োজনে আমরা বারবার পুনর্নির্বাচন দেব। যতবার দরকার ততবারই নির্বাচন দেব। তখন আর চিল্লাচিল্লি করলেও কাজ হবে না।মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে লক্ষ্মীপুর টাউন হল মিলনায়তনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে লক্ষ্মীপুর জেলার প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ব্যক্তিদের সাথে বিশেষ আইনশৃঙ্খলা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
নির্বাচন কমিশন আরও বলেন, জনগণের জন্য একটি ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করতে আমাদের যা যা করার দরকার আমরা তা করব এবং করছি। একটি সুস্থ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেশবাসীকে উপহার দেব।
প্রার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে নির্বাচন কমিশন বলেন, প্রচার-প্রচারণার সময় আপনারা একটি সম্প্রতি বন্ধন তৈরি করেন। যেমনটাই উদাহরণ দিলেন দুই আসনের সব প্রার্থী, সবাই একসাথে কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত কোনো প্রার্থী অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেননি। এটাই হচ্ছে নির্বাচনের সঠিক চর্চা। প্রয়োজনে আপনরা এক মঞ্চে উঠে জনগণের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। কে কি ইশতেহার দেবেন, সেটা জনসম্মুখে প্রকাশ করেন। দেখবেন মানুষ সেখান থেকে তাদের প্রতিনিধি খুঁজে নেবেন।
লক্ষ্মীপুর-১ আসনে সম্প্রতি যে ঘটনা ঘটছে তার উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশন বলেন, (আজ) রাতের মধ্যেই মামলা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে পুলিশের মাধ্যমে।
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক ও দ্বাদশ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা সুরাইয়া জাহানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা আঞ্চলিক নিবার্চন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন ও লক্ষ্মীপুর পুলিশ সুপার তারেক বিন রশিদ।






