স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিনা ইসলাম তার পূর্বনির্ধারিত (ঈগল) মার্কা ভোট চাইতে গণসংযোগ করেন মীরগঞ্জ বাজারে আসেন। হঠাৎ কয়েক মিনিট পর কেরোয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগ ও পাশ্ববর্তী উত্তর হামছাদি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা যৌথভাবে মীরগঞ্জ বাজারে জয় বাংলা স্লোগান ও নৌকার পক্ষে স্লোগানে মেতে উঠে। এতে পুরো মীরগঞ্জ বাজার এলাকা থমথমে বিরাজ করে।
এমন পরিস্থিতিতে লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র (ঈগল) প্রতীক প্রার্থী সেলিনা ইসলাম বলেন, নৌকার সমর্থকরা তার পূর্বনির্ধারিত গণসংযোগ চলাকালে ছিন্নভিন্ন করছে। ছোট-ছোট ছাত্রলীগের ছেলেদের দিয়ে আমার পোগ্রাম বন্ধ করছে। আমাদের সাধারণ ভোটারা আমার উপস্থিতি দেখলে ছুটে আসে।শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে রায়পুর উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের মীরগঞ্জ বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিনা ইসলামের গণসংযোগ পণ্ড হয়ে গেলে তিনি সাংবাদিকদের ক্ষোভ-প্রকাশ করে এ মন্তব্য করেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সেলিনা ইসলাম (নৌকার) প্রার্থী অ্যাডভোকেট নূরউদ্দিন চৌধুরী নয়নের কড়া সমালোচনা করে বলেন, নয়ন ভাই তার সর্বোচ্চ শক্তি ও দলের সাধারণ সম্পাদকের শক্তি দিয়ে বোঝাচ্ছেন কিভাবে সেলিনা ইসলামের (ঈগল) মার্কা ঠেকানো যায়। আসলেই নয়ন ভাই ভালো চান না। কোনো কিছুর মঙ্গল চান না। তিনি সরকার বিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি যদি মঙ্গল চাইতেন তাহলে পরিবেশ সুস্থ ও শান্ত রাখতেন। মানুষকে ভোট ও কেন্দ্রমুখী করতেন।
এমন পরিস্থিতির খবর পেয়ে রায়পুর উপজেলা সরকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা (ভূমি) মনিরা খাতুন ও রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন ফারুক মজুমদার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখে। এ জন্য অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি।রায়পুর উপজেলা সরকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা (ভূমি) মনিরা খাতুন উপস্থিত সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দেননি। তবে তিনি জানিয়েছেন দুই প্রার্থীর লোকজন গণসংযোগের অবস্থান নিয়েছে। এমন সংবাদ পেয়ে আমিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ঘটনাস্থলে আসে। এতে পরিবেশ স্বাভাবিক থাকে।







