ফারুকের অর্থলিপসা না থাকায় প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যর তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি তিনি সরকারি কলেজ নির্মাণের জন্য দান করেছেন এবং এখানো এমপির
সম্মানি ভাতার একটি টাকাও তিনি গ্রহণ না করে তা এলাকার হতদরিদ্র নেতাকর্মীদের মধ্যে দিয়ে আসছেন। আবার চাকরি মেলা করে এলাকার হাজার হাজার বেকার জনগোষ্ঠির কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন।
অন্যদিকে তানোরের আমশোমথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চাপড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনা পয়সায় নৈশপ্রহরী নিয়োগ দিয়েছেন
হতদরিদ্র পরিবারের দুইজনকে। তানোরের কলমা ইউপির ঘৃতকাঞ্চন গ্রামের মুনসুর আলীর পুত্র হাফিজুর রহমান পুলিশের সার্জেন্ট, পিপঁড়া গ্রামের জসিম উদ্দিনের পুত্র আব্দুল মালেক পুলিশের এএসআই,চৌরখৈর গ্রামের
মৃত জানবক্সের পুত্র নাইমুর রহমান পুলিশ কন্সটেবল, এনায়েতপুর গ্রামের শ্যামল সিং এর কস্যা শ্যামলী সিং
পুলিশ কনেস্টবল, চৌরখৈর গ্রামের বয়ান উদ্দিনের পুত্র আইয়ুব আলী স্বাস্থ্য সহকারী, শংকরপুর গ্রামের
তাজেমুদ্দিনের কন্যা তানজিলা পুলিশ কন্সটেবল,জালাল উদ্দিন স্বাস্থ্য সহকারী, বিল-ী গ্রামের পুর্ণিমা মাঝি পুলিশ কন্সটেবল, সাজ্জাদ আলীর পুত্র সোহেল রানা পুলিশ কন্সটেবল,এনায়েতপৃর গ্রামের আব্দুর রহমানের পুত্র তরিকুল
ইসলাম পুলিশের এএসপি, মালবান্ধা গ্রামের আজিজ মন্ডলের কন্যা রিক্তা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক,
দেলোয়ার হোসেন জেলা জজ, ধানতৈড় গ্রামের আব্দুল্লাহ বিশ্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষক,কামেল মারডি মুন্ডুমালা সরকারি
উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, চন্দনকৌঠা গ্রামের মেকরাইলের পুত্র সেলিম পুলিশের এসআই, গোল্লাপাড়া
গ্রামের মৃত ফজলুর রহমানের পুত্র বুরজাহান পুলিশের এসআই,
তানোর শীবতলা গ্রামের নিশিত দাসের পুত্র সম্রাট কুমার দাসের সার কারখানায় চাকরি হয়েছে ও আমশো
তাতিয়ারপাড়া গ্রামের আলফাজের ভাই মাসুদ রানা পুলিশের সার্জেন্ট প্রমূখ। অন্যদিকে তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলায় দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দুটি মহাবিদ্যালয় সরকারিকরণ, দুটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় আধুনিক করণ, দুটি মডেল মসজিদ, দুটি উপজেলা কমপ্লেক্স, দুটি উপজেলা হাসপাতাল ৫০ শয্যায় উন্নতিকরণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আধুনিক দৃষ্টিনন্দন একাডেমিক ভবন নির্মাণ, একাধিক কৃষি ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান, গোদাগাড়ীতে নৌবন্দর
কমিউনিটি ক্লিনিক চালু ও ভবন নির্মাণ ইত্যাদি দৃশ্যমান উন্নয়ন ফারুক চৌধুরীর হাতে সাধিত হয়েছে।এছাড়াও এমপি ফারুক চৌধুরী তার দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের রাজনৈতিক জীবনে তানোর-গোদাগাড়ী থেকে প্রতিদিন তিনি যদি ৫ জন করে মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ৩৬৫ দিনে ১৮২৫ জন এবং ২০ বছরে ৩৬ হাজার ৫০০ জন মানুষের সরাসরি উপকার করেছেন। তাহলে উপকারভোগী এই মানুষগুলো তো এখানো এমপির পক্ষে মাঠে আছে। এছাড়াও এই আসনের দুটি উপজেলা, ৪টি পৌরসভা এবং ১৬টি ইউনিয়নের (ইউপি) আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিটি ওয়ার্ডের সাংগঠনিক নেতাকর্মী ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে রয়েছেন।
অন্যদিকে এমপি ফারুক চৌধুরীর বদৌলতে গোলাম রাব্বানী দুইবার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েছিলেন। স্থানীয়রা জানান, সভাপতি হয়েও তিনি জেলা পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে কাজ করেছেন। যা দল, নেতা ও নেতৃত্বের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। এদিকে
তিনি দুবার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও দুইবার মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্ত্ত ১০ বছরে ইউপির উল্লেখ করার মতো দৃশ্যমান তেমন কোনো উন্নয়ন করতে পারেননি। তবে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা কেয়ার-এর টাকায় ইলামদহী হাটের যে উন্নয়ন কাজ করা হয় তা নিয়ে নেতিবাচক আলোচনা রয়েছে। একইভাবে মুন্ডুমালা পৌরসভার উন্নয়নে ব্যর্থ হয়েছেন। এছাড়াও পৌরসভায় কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে নানা গুঞ্জন রয়েছে। আছে বিচার-সালিশ নিয়ে মুখরোচক নানা আলোচনা।
এছাড়াও বিগত ২০১৯ সালের ২০ আগস্ট মঙ্গলবার মুন্ডুমালা পৌরবাসির পক্ষে পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফিরোজ কবির ও ৭ নম্বর কাউন্সিলর নাহিদ হাসান স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ করা হয়। পৌর মেয়র গোলাম রাব্বানী, সচিব আবুল হোসেন ও হিসাব রক্ষক আব্দুল আওয়ালের বিরুদ্ধে ৪টি প্রকল্পে দূর্নীতির