ঢাকা: নতুন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ নেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
বুধবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
মাহবুব হোসেন জানান, নতুন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ নেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। যারা মন্ত্রির দায়িত্ব পেয়েছেন তাদেরকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে টেলিফোনে জানানো হচ্ছে।
নতুন মন্ত্রিসভায় পুরোনো মন্ত্রিসভার অনেকেই থাকছেন। এরই মধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, নসরুল হামিদ, জুনায়েদ আহমেদ পলক, খালেদ মাহমুদ চৌধুরী, শাহরিয়ার আলম, ফরিদুল হক খান, জাহিদ ফারুক ও স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি) বঙ্গভবনের শপথ নেওয়ার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ফোন পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এছাড়া আরও যারা যারা ডাক পেয়েছেন- বর্তমান শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।।
কর্নেল ফারুক খান, আব্দুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মেজর জেনারেল (অব) আব্দুস সালাম, মোহাম্মদ এ আরাফাত, সাজ্জাদুল হাসান, নাজমুল হাসান পাপন, জিল্লুল হাকিম ও জিয়া উদ্দিন আহমেদ, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, ড. সেলিম মাহমুদ, আবুল কালাম আজাদ, আবুল হাসান মাহমুদ আলী, উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ, র আ ম ওবায়দুল মোকতাদির, নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, সাবের হোসেন চৌধুরী, সিমিন হোসেন রিমি, মহিবুর রহমান, বেগম রুমানা আলী, শফিকুর রহমান চৌধুরী, আহসানুল ইসলাম টিটু ও সামন্ত লাল সেন।
এর আগে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত দিয়ে তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য সম্মতি দেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। পরে জারি করা হয় প্রজ্ঞাপন।
এতে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুযায়ী দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন সংসদ সদস্য শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন এবং তার নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।
এতে আরও বলা হয়, নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বর্তমান মন্ত্রিসভা ভেঙে দেয়া হয়েছে বলে গণ্য হবে।







