রংপুর বিভাগীয় প্রতিনিধি: রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলে শীতের তীব্রতায় জনজীবনে নেমেছে চরম দুর্ভোগ। স্থবির হয়ে পড়েছে মানুষের স্বাভাবিক কার্যক্রম। কয়েক দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না প্রায় সারা দিন। কিছু সময়ের জন্য দেখা মিললেও তাতে শীতের তীব্রতা কমছে না। ফলে শ্রমজীবী মানুষ কাজে যেতে না পারায় চরম বিপাকে পড়েছে। রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) সকাল থেকে হিমেল বাতাসে ঝরছে কুয়াশার শিশির। ঘন কুয়াশা থাকায় দৃষ্টিসীমা নেমে এসেছে ১০০ থেকে ২০০ মিটারের মধ্যে। হিমশীতল বাতাস শীতের তীব্রতাকে কয়েক গুণ বাড়িয়েছে। হেডলাইট জ্বালিয়ে সড়ক-মহাসড়কে যানবাহন চলাচল করছে। শীতার্ত মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শরীর গরম রাখার চেষ্টা করছে। শ্রমজীবী মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। দিনমজুর, রিক্সা-ভ্যান ও ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক চালকগণ যাত্রী সংকটে পড়েছে। কৃষি শ্রমিকরা মাঠে নামতে না পারায় তাদের আয়ও কমেছে। ফলে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ছেলে-মেয়েরাও ঠিকমত পড়ালেখা করতে পারছে না। সন্ধ্যার পর থেকে পুরো রাত বরফ হয়ে উঠে। ঘরের আসবাবপত্র, বিছানাপত্র, ঘরের মেঝে ¯পর্শ করলে বরফের মতো ঠান্ডা মনে হয়। ঘরে গৃহিনীদের কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে। আয় রোজগার কমে যাওয়ায় অনেকে পরিবারের সদস্য মুখে দু’বেলা দ’ুমুটো ভাত তুলে দেওয়ার জন্য হাড়কাঁপা শীত উপেক্ষা করেই কাজে বেরিয়েছেন। প্রচন্ড শীতের কারণে নিউমোনিয়া, অ্যাজমা, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্ক মানুষ। জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোর আউটডোরে ঠান্ডাজনিত রোগিরা চিকিৎসা নিচ্ছে। চিকিৎসার পাশাপাশি শীতজনিত রোগ থেকে নিরাময় থাকতে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছেন চিকিৎসকগণ।
৯৯ বিচারককে বদলি ও পদায়ন, প্রজ্ঞাপন জারি
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের ৪৪ জেলা জজ, ২৬ অতিরিক্ত জেলা জজ, ২৫ যুগ্ম জেলা জজ, দুই সিনিয়র সিভিল জজ ও দুই...






