ছে স্বাগতিকদের। দুজন কঠিন দুটি সুযোগ দিয়েছিলেন, তবে বাংলাদেশ রাখতে পারেনি তা।
চতুর্থ উইকেটে দুজন যোগ করেন ১৮৫ রান। নিশাঙ্কা পেয়েছেন সেঞ্চুরি, আসালাঙ্কা থেমেছেন ৯ রান দূরে। ৭ রানের মধ্যে দুজনকে ফিরিয়ে লড়াইয়ে ফেরার আভাস দেয় বাংলাদেশ।
এরপর জানিত লিয়ানাগেকেও ফেরান তানজিম, জয় থেকে শ্রীলঙ্কার দূরত্ব তখন ৩৬ রান। তবে এর পরের উইকেট যতটা দ্রুত দরকার ছিল বাংলাদেশের, ততটা দ্রুত মেলেনি।
ভেল্লালাগে ও হাসারাঙ্গা ঝুঁকি নেননি, হাতে থাকা বলের সংখ্যা তাদের সে পথটা করে দিয়েছিল। দুজনের জুটি শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে যায় জয়ের দুয়ারে। ২ রান বাকি থাকতে হাসারাঙ্গা ফিরলেও তাতে পার্থক্য গড়ে ওঠেনি।
শিশিরের প্রভাব ছিল ঠিকই। তবে নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশকে পোড়াবে আরও কয়েকটি রানের আক্ষেপ। লিটন প্রথম ওভারে ফিরলেও সৌম্য ও নাজমুলের জুটি ভালো একটা ভিত গড়ে দিয়েছিল।
সৌম্য ফেরার পর বাংলাদেশকে টানেন হৃদয়। দারুণ হিসাব করে খেলা ইনিংসে বাংলাদেশ পায় লড়াই করার মতো সংগ্রহ। তবে যথেষ্ট হয়নি তা।






