।।এক।।
পৃথবিীতে যতগুলো ভালোকাজ টকিে আছে সগেুলোর মধ্যে বৃক্ষরোপণ অন্যতম একট।ি শুধু মানুষ নয় বরং সমগ্র জীবজগতরে অস্তত্বি টকিয়িে রাখতে অক্সজিনে ও র্কাবন-ডাইঅক্সাইড গ্রহণ ও নঃিসরণরে যে চক্র তা নয়িন্ত্রণ করে গাছপালা, বৃক্ষ-তরুলতা। পরবিশেরে ভারসাম্য রক্ষায়, পৃথবিীকে বাসযোগ্য রাখতে কংিবা প্রাকৃতকি র্দুযােগ থকেে পরবিশে-প্রকৃতকিে রক্ষা করতে বৃক্ষ প্রাকৃতকি ঢাল হসিবেে ব্যবহৃত হয়। এই যে তীব্র গরমে নাভশ্বিাস অবস্থা, র্সূযরে তাপে মানুষ পুড়ছ-েএর পছেনওে বৃক্ষ সংকটরে ভূমকিা অনস্বীর্কায। বৃক্ষরোপণ একটি জীবন্ত সাদকাহ। এ সর্ম্পকে মুহাম্মদ (সা.) মানুষকে উৎসাহতি করছেনে। আনাস (রা.) থকেে র্বণতি হাদসিরোসুল (সা.) বলনে, ‘যদি কোনো মুসলমি কোনো গাছ রোপণ করে অথবা ক্ষতেে ফসল বোন।ে আর তা থকেে কোনো পোকামাকড় কংিবা মানুষ বা চতুষ্পদ প্রাণী খায়, তাহলে তা তার জন্য সদকা হসিবেে গণ্য হব।ে’ (বুখার,ি হাদসি : ২৩২০; মুসলমি, হাদসি : ৪০৫৫)
ইসলাম র্ধম বৃক্ষরোপণকে গুরুত্বর্পূণ ইবাদত হসিবেে স্বীকৃতি দয়িছেে এবং গুরুত্বসহকারে সগেুলো সংরক্ষণরে জন্য নর্দিশেনা দয়িছেনে। রাসুল (সা.) বলনে, ‘যে ব্যক্তি কোনো বৃক্ষরোপণ করে আর ফলদার হওয়া নাগাদ তার দখোশোনা ও সংরক্ষণে ধর্যৈ ধারণ কর,ে তার প্রতটিি ফলরে বনিমিয়ে আল্লাহ তাকে সদকার সওয়াব দবেনে।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদসি : ১৬৭০২; শুআবুল ইমান, হাদসি : ৩২২৩)। র্ধমে বৃক্ষরোপণরে ব্যাপারে কবেল নর্দিশেনা দয়িইে ক্ষান্ত হয়নি বরং বনিাপ্রয়োজনে বৃক্ষ নধিন করার বরিুদ্ধে কঠোর হুঁশয়িারওি দয়িছে।ে পরবিশে শান্ত, শীতল ও মনোমুগ্ধকর রাখতে গাছরে ভূমকিা অপরহর্িায। তাই অপ্রয়োজনে বৃক্ষ নধিন করাকে কঠোরভাবে নষিধে করনে প্রয়িনবী (সা.)। আবদুল্লাহইবনহেুবশি (রা.) থকেে র্বণতি হাদসিে হুঁশয়িারি দয়িছেনে। তনিি (সা.) বলনে, ‘যে ব্যক্তি বনিা প্রয়োজনে গাছ কাটব,ে আল্লাহ তার মাথা আগুনরে মধ্যে নক্ষিপে করবনে।’ (আবু দাউদ, হাদসি : ৫২৪১)। অন্য হাদসিে এসছে,ে ‘যে ব্যক্তি বনিা প্রয়োজনে গাছ কাটবে [যে গাছ মানুষরে উপকার করতো], আল্লাহ তার মাথা আগুনরে মধ্যে নক্ষিপে করবনে।’ (বায়হাক,ি হাদসি: ৬/১৪০)
বৃক্ষ থকেে ফুল-ফল, ছায়া কংিবজ্বালানী এসব উপকাররে কথা বাদ দলিাম। কন্তিু জীবজগতরে অস্তত্বি টকিে থাকে যে বৃক্ষরে দ্বারা সগেুলোর ঋণ কী করে ভুল?ি মানুষরে বাঁচা-মরা নর্ভির করে অক্সজিনে ও র্কাবন-ডাইঅক্সাইড চক্ররে ওপর। গবষেণায় দখো গছে,ে প্রাপ্তবয়স্ক একজন মানুষ প্রতদিনি ১১ হাজার লটিার বাতাস নশ্বিাসরে মাধ্যমে গ্রহণ কর,ে যা সে বৃক্ষ থকেে বনিামূল্যইে পয়েে থাক।ে বঁেচে থাকার জন্য একজন মানুষরে প্রতদিনি ৫৫০ লটিার খাঁটি অক্সজিনে প্রয়োজন হয়। যদি এই সমপরমিাণ অক্সজিনে টাকা দয়িে কনিতে হতো তবে প্রতদিনি ১৮ লাখ টাকা খরচ করতে হতো! উল্লখ্যে, কোনো ধরনরে খাবার ছাড়া বঁেচে থাকা যায় অন্তত ২১ দনি; পানি ছাড়া ৩ দনি আর বাতাস ছাড়া বঁেচে থাকা যায় মাত্র ৩ মনিটি। একটি গাছ বছরে প্রায় ১৩ কজেি র্কাবন-ডাইঅক্সাইড গ্রহণ কর।ে গাছপালা ও বৃক্ষ পরবিশেরে ভারসাম্য রক্ষা কর।ে চারদকি সজীব-সতজে ও স্বাভাবকি রাখ।ে
।। দুই।।
সারাদশেরে মানুষ তীব্র গরমে যভোবে কষ্ট পাচ্ছে তা অসহনীয় ও অর্বণনীয়! ২৬ এপ্রলি-২০২৪ চুয়াডাঙ্গায় র্সবোচ্চ তাপমাত্রা ৪২ দশমকি সাত ডগ্রিি সলেসয়িাস রর্কেড করা হয়, যা চলতি বছর দশেরে র্সবোচ্চ তাপমাত্রা বলে জানয়িছেে জলো আবহাওয়া অফসি। এমনকি গত ৭৬ বছররে র্সবোচ্চ তাপমাত্রা এট!ি র্থামোমটিারে তাপমাত্রায় ৪২.৭ ডগ্রিি সলেসয়িাস হলওে অনুভূত তাপমাত্রাা ৪৫ এর মত। সবকছিুপুড়য়িে যাচ্ছ।ে হটিওয়ভেউেৎপাদন ব্যবস্থায় ধ্বংস নমেছে,ে কৃষি উৎপাদন হ্রাস পয়েছে,ে খামাররি মুরগি মারা যাচ্ছ,ে মাছ কাতরাচ্ছে এবং ফসল পুড়ে যাচ্ছ।ে কাজইে বৃক্ষরোপণ আন্দোলন ত্বরান্বতি করতইে হব।ে বভিন্নি ব্যক্তি ও সংগঠন ইতোমধ্যইে দশেব্যাপীবৃক্ষরোপণরে ঘোষণা দয়িছেনে এবং কউে কউে কাজ শুরু করে দয়িছেনে। আজকরে লখোর মূল আপত্তটিা আসলে এখানইে! বৃক্ষরোপণরে ব্যাপারে আপত্তি নয় বরং বৃক্ষরোপণরে সময় ও উপযুক্ততা নয়িে বর্তিক। যে উদ্দশ্যে এই সময়ে বৃক্ষরোপণ করা হচ্ছে তা কি কাজরে কাজে মোটইে আসব?ে
আজ যে বৃক্ষটি লাগানো হবে সটোর সুফল পুরোপুরভিাবে আজকইে পাবো না। কয়কেবছর সময় লাগব।ে কাজইে আরকেটু সময় নয়িে উপযুক্ত সময়ে অপক্ষোয় থাকা বোধহয়বুদ্ধবিৃত্তকি কাজ হব।ে বাংলাদশেরে আবহাওয়া ববিচেনায় জুন, জুলাই ও আগস্ট হচ্ছে গাছরে চারা রোপণরে উপযুক্ত সময়। কনেনা যে স্থানে বৃক্ষরোপণ করা হবে সে স্থানরে পারপর্িাশ্বকিতা সাথে খাপ খাইয়ে বৃক্ষরে বড়েে ওঠার উপযুক্ত আবহাওয়া থাকতে হব।ে র্বতমানে গড় তাপমাত্রা ৪০ ডগ্রিি সলেসয়িাসরে ওপরে উঠছে।ে অত্যাধকি র্সূযরে আলো মাটরি জন্য যমেন ক্ষতকির তমেনি বৃক্ষ-শশিুর জন্যও ক্ষতকির। কাজইে সামাজকি যোগাযোগ মাধ্যমরে হুজুগে খুন্ত-িচারা নয়িে এখনই চারা রোপন ঠকি কাজ হবে না। প্রকৃতরি রুক্ষতায় চারা সমূলে শুকয়িে যাব।ে তাও এই সময়ে চারা রোপন করে সটোকটেকিয়িে রাখা যতেো যদি নয়িমতি পানি দওেয়া হতো। এই বৃহত্তর বৃক্ষরোপণরে আন্দোলনে কে এতো গাছরে গোড়ায় পানি দবে?ে কাজইে পানরি জন্য বৃষ্টরি অপক্ষো করতে হব।ে কাজইে আরকেটু অপক্ষো কর।ি প্রকৃতকিে আষাঢ় আসুক। তখন মাটি ও পরবিশে জীবনরে অনুকূলে থাক।ে
যে চারাগুলো এখন র্নাসারি থকেে তুলে আনা হচ্ছে সগেুলো সখোন থকেে অক্সজিনে ছড়াচ্ছলি এবং পরবিশে শীতল রাখতে ভূমকিা রাখছলি। বরং এই প্রতকিূল সময় সগেুলো নতুন মাটতিে দলিে মূলে প্রয়োজনীয় তোষ পাবে না এবং তীব্র তাপে মাটরি ওপররে অংশ শুকয়িে যাব।ে কাজইে এই সময়ে বৃক্ষরোপণরে আন্দোলন হতি-েবপিরীত ঘটাব।ে চারা সংরক্ষণে শুধু তাপ নয় বরং আরও কছিু কাজ আছ,ে যা র্বতমান বৃক্ষরোপণ আন্দোলনে অনুপস্থতি! চারা রোপনরে পর সটেকিটেকিয়িে রাখাই বড় কাজ। এজন্য গরু, ছাগল ও অন্যান্য তৃণভোজী প্রাণী থকেে চারাকে সুরক্ষতি রাখার ব্যবস্থা করতে হব।ে কৃষি বভিাগরে পরার্মশ নয়িে সঠকি নয়িমে বৃক্ষরোপণ ও যত্ন নতিে হব।ে উপযুক্ত মৌসুমে গাছরে চারা রোপণরে পাশাপাশি তাদরে অনবরত পরর্চিযাও জরুর।ি তা না হলে গাছরে চারা টকিয়িে রাখা প্রায় অসম্ভব। চারা রোপনরে জন্য ছাদবাগান হতে পারে র্সবাধকি পছন্দনীয় আঙনিা। কনেনা এটা অল্পতইেগুছয়িে রাখা সম্ভব, সখোনে সহজে পানি দওেয়া যায় এবং সংরক্ষণ করা যায়।
।।তনি।।
শশৈবরে সইে বজ্ঞিাপন, প্রয়ি আবুল খায়রে এর এই বজ্ঞিাপনরে কথা কারো মনে আছ?ে
— সব গাছ কাইটা ফালাইতাস।ে আমি ঔষধ বানামু কি দয়িা?
কগিো কবরিাজ, কি খোঁজতাসনে?
— আইচ্চা, এইখানে একটা র্অজুন গাছ আছলিো না?
আছলিো, কাইট্টাফালাইছ।ে
— এইখানে একটা শশিু গাছ আর ঐ মাথায় একটা হরতকী গাছ?
আছলিো, কাইট্টাফালাইছ।ি
— আপনরে গাছ?
হ, টকোর দরকার পড়ছে তাই বক্রিি করছ।ি
গাছ লাগাইছলিো ক?ে
— আমার বাবায়।
আপনি কী লাগাইছনে?
— আমি কী লাগাইছ?ি
* হ, ভবষ্যিতে আপনার পোলারও টকোর দরকার হইতে পার.ে……..
আবুল খায়রেরে শষে কথাটি ছলি: “এক একটা গাছ, এক একটা অক্সজিনেরে ফ্যাক্টরী।”
প্রয়োজনে গাছ কটেে তার বদলে অন্তত তনিটি গাছ না লাগালে কংিবা বনিা প্রয়োজনে বৃক্ষ নধিন করলে এমন গরমরে বছর, ভয়ংকর সাইক্লোনরে বছর কংিবা তীব্র খরার বছর আমরা প্রত্যকেবছরই পাবো! যা প্রত্যকেবার তার র্পূবরেবাররে রর্কেড ভাঙব।ে কাঠরে র্ফানচিাররে বকিল্প র্ফানচিারে অভ্যস্ত হতে হব।ে বৃক্ষরোপণরে গুরুত্ব বোঝাতে প্রয়ি নবী ইরশাদ করছেনে, ‘কয়িামত এসে গছে,ে এমন অবস্থায় তোমাদরে কারও হাতে যদি ছোট একটি খজেুররে চারা থাক,ে তাহলে সে যনে চারাটি রোপণ করে দয়ে।’ (মুসনাদআেহমাদ: ১২৯০২ ও ১২৯৮১; আদাবুলমুফরাদ: ৪৭৯; মুসনাদবোজজার: ৭৪০৮)। যত দনি র্পযন্ত রোপণকৃত গাছটি জীবতি থাকবে ঠকি তত দনি যত প্রাণী, পশুপাখি ও মানুষ সে গাছ থকেে ফুল, ফল ও ছায়া র্অথাৎ যকেোনো উপকার পাব,ে তা রোপণকারীরআমলনামায়সদকায়জোরয়িা হসিবেে লখো হব।ে রোপণকারী ব্যক্তি যদি মারাও যান তাহলে তাঁর আমলনামায় এ সওয়াব পৌঁছাতে থাকব।ে যদি না জানয়িে গাছ থকেে কোনো ফল খায় বা নয়িে যায় তাতওে রোপণকারীরআমলনামায় সওয়াব পৌঁছে যাব।ে
এ বছররে জুন, জুলাই ও আগস্টে আমরা প্রত্যকেে যনে অন্তত তনিটি করে গাছ লাগাই। আমাদরে ধরণী শীতল হোক। স্বাভাবকিভাবে বাঁচার স্বপ্ন যনে রোজ দখেতে পার।ি
রাজূআহমদে।কলামলখেক।
ৎধলঁ৬৯ধষরাব@মসধরষ.পড়স








