স্টাফ রিপোর্টার ॥ দিনাজপুর সদর উপজেলার ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মাশিমপুর সরকারপাড়া গ্রামের ১০টি পরিবার তাদের প্রায় ৩০-৪০ বছরের পৈত্রিক যাতায়াতের রাস্তা ও বর্ষা-বাড়ীর পানি নিষ্কাশনের ড্রেনের উপর প্রতিবেশী অরক্ষিত ঢাকনা ছাড়া ৩টি রিং বসানো গভীর কূপ খনন করে দীর্ঘ ১ মাস ধরে ঐ অবস্থায় ফেলে রেখে চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির সমাধান চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকার ১০টি পরিবারের সদস্যরা।
দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, দিনাজপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানা যায় প্রতিবেশী আব্দুর রাজ্জাক কোন প্রকার বাড়ীর নকশা অনুমোদন না নিয়ে সরকারী নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে ৩০/৪০ বছরের পৈত্রিক চলাচলের রাস্তা ও ড্রেনে আরসিটি পিলার দ্বারা দেওয়াল ও ইমারত নির্মাণ করতে গিয়ে যাতায়াতের ৩টি গভীর অরক্ষিত রিং কূপ খনন করে গত ১ মাস ধরে ফেলে রেখেছেন। যার ফলে যেকোনো সময় বৃদ্ধ মানুষ, ছোট শিশুরা অথবা গরু-ছাগল তাতে পড়ে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। যারা ফলে উক্ত এলাকার ১০টি পরিবার বর্তমানে হুমকির মধ্যে বসবাস করছে। এ ব্যপারে কয়েকবার এলাকায় বিচার-শালিস হলেও প্রতিবেশী আব্দুর রাজ্জাক নিজ যুক্তির জোড়ে অটল রয়েছেন। এলাকার বাসিন্দা মোঃ শহীদুল ইসলাম জানায়, চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা হিসেবে প্রায় ১ মাস ধরে ৩টি বড় বড় কূপ অরক্ষিত অবস্থায় ফেলে রেখেছে প্রতিবেশী আব্দুর রাজ্জাক। এ বিষয়টি নিয়ে এলাকার ১৩ টি পরিবারের সাথে প্রতিনিয়ত ঝগড়া বিবাদ লেগেই রয়েছে এ ব্যাপারে তারা জরুরী ভাবে বিষয়টি সমাধান কল্পে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের জোর হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
দিনাজপুর সদর উপজেলার ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মাশিমপুর সরকারপাড়া গ্রামের ১০টি পরিবার তাদের প্রায় ৩০-৪০ বছরের পৈত্রিক যাতায়াতের রাস্তা ও বর্ষা-বাড়ীর পানি নিষ্কাশনের ড্রেনের উপর প্রতিবেশী অরক্ষিত ঢাকনা ছাড়া ৩টি রিং বসানো গভীর কূপ খনন করে দীর্ঘ ১ মাস ধরে ঐ অবস্থায় ফেলে রেখে চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির সমাধান চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে এলাকার ১০টি পরিবারের সদস্যরা।







