নোয়াখালী: শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পর জেলার সোনাইমুড়ী থানায় হামলা করে ৩ পুলিশকে হত্যার প্রতিবাদে ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে জেলার ৯টি থানার পুলিশের সকল সদস্যকে একযোগে ক্লোজ পুলিশ লাইনে নিয়ে যায়া হয়েছে। দুপুর ২ টার দিকে সেনবাগ থানা থেকে তিনটি পুলিশ পিকআপ ও কয়েকটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা যোগে সেনবাগ থানা ছাড়ের পুলিশ সদস্যরা।
অবশ্য পুলিশ থানা ছেড়ে চলে যাবার খবর জানাজানি হলে বিএনপির, জামায়াতসহ বিভন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা স্ব-স্ব উপজেলায় পুলিশের কর্তব্যকাজে সহযোগীতা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সহযোগীতা করার আশ্বাস দিলে দুই ঘন্টা ফের নিজ নিজ থানায় ফিরে আসে বলে নিশ্চিত করেন, নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আশাদুজ্জামান। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার রিপোর্ট লেখার সময় সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজিম উদ্দিন থানায় ফিরে এসেছেন বলে নিশ্চিত করেন।
অপরদিকে সেনবাগের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিসান বিন মাজেদ সেনবাগের বিএনপি ও জামায়াত এবং সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সকাল থেকে দিনভর দফায় দফায় বৈঠক
করেন।
এসময় তিনি সরকারি স্থাপনা, সংখ্যালুগু সম্প্রদায় ও তাদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং উপসানাল রক্ষায় সহযোগীতা কামনা করেন। জবাবে নেতারা সংখ্যালগুদের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও উপসানালয় নিজেরা পাহার দিচ্ছেন বলে জানান।
অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পর অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা চত্বরে স্থাাপিত বঙ্গবন্ধুর মূরাল ভাংচুর, সেনবাগ পৌরসভার মেয়র আবু নাছের ভিপি দুলালের অজুনতলার বাড়িঘর লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও রাতে সেনবাগ উপজেলা আওযামী লীগের সহ-সভাপতি ও ডমুরুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন কাননের বাড়িঘর এবং একই ইউপির আওয়ামী লীগ সভাপতি বাকের হোসেন বাড়িঘর ভাংচুর করেন।
অপরদিকে উপজেলা কাবিলপুর ইউপির আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি নুরনবী চৌধুরীর সাদেকপুর গ্রামের বাড়ি ভাংচুর ও কাবিলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাহারের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করা হয়।
এদিকে গতকাল শেত হাসিনার পদত্যাগের পর থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা থানা গেইটে অবস্থান নিয়ে থানাকে হামলাও ভাংচুরের হাত থেকে রক্ষায় ভূমিকা রাখে।







