কবিতা
পরকিয়া
কবি কে এম তোফাজেজল হোসেন (জুয়েল খান)
পড়াশোনায় মন বসে না আমাৱ, দিয়েছে বাবা-মা বিএ
জামাই আমার বিদেশ থাকে দুই দিন দেখা করে গিয়ে
ইন্টারনেট লাগাইয়া দিয়েছে , জামাই আমার দেখবে বলে
মোবাইলটাই বাড়ায় জ্বালা প্রতিদিন দেখি ডকের বেটা ছেলে
নূন ছাড়া যেমন সাদ উঠেনা তরকারির রানতে গেলে
চুন ছারা পানেৱ ৱং হয় না সবাই সেটা জানে
একদিন যায় দুই দিন যায় সময় পার হয় ডেৱ
খুটি বিনে ছাউনি টেকেনা ঝৱে য়ায় উৱে চলে ।
বন্ধু ছারা মন টেকে না সাউনি ভালা জানে
সামবালানী সাথে কৱে চলে সাউনি ডকেৱ জামা গায়ে
চশমা সাউনিৱ খুব সুন্দর জামায় পাঠিয়েছে বিদেশ থেকে
সাউনি চলে সামবালানীৱ সাথে সামবালানীৱ বেরা আটা ,
সাউনিৱ চাক সাউনিৱ সোৱা ইসিং ডোবে ভরা ……
সাউনিৱ জামায় বিদেশ হৱে মাঝে মধ্যে মোবাইলে দেয় দেখা
সাউনিৱ নামে পয়সা পাতি ভালায় আছে জোমা ।
আৱ লাগেনা জামায়ৱে ভালো সাউনি মনে মনে কয়
সুন্দর সেরাডা বড্ড ভালা পাইতাম যদি মন কয়
মোবাইল ফোনে ফোন কৱিয়া আনতাম তাৱে ডাকে
না পছন্দ হবাৱ কিছু নাই মোৱ যৌবন টলমল কৱে
গিলবে না টোপ প্রয়োজন হলে টাকা পয়সা সোনাদানা ৱাখতাম না আৱ কিছু ,
ওকে ছাড়া বাঁচব না যে চলছে না আর কিছু
বিদেশ বেটাকে সাইৱা দিয়া ধৱুম তাৱি ঘাৱ
ইন্টারনেট পরকিয়াৱ ব্যবস্থা কৱেছে ঠেকায় কাৱ বাপ
যৌবনজ্বালায় ঘর ছাড়িয়া সাউনিৱ চলছিল তার সাথে বেশ
হঠাৎ দেখি সাউনিৱ চোখে অজস্র অশ্রুজল ।
এটাও গেল ওটাও গেল সাউনি ৱইলো পরে
কুলোটা হয়ে সাউনি এখন পথে পথে ঘোৱে
বিদেশ বেটা দেশে আইশা আবাৱ কৱলো বিয়া
কুলোটা সাউনি মুখে কাপর দিয়া কানছে দূরে থেকে দেইখা
মনে মনে সাউনি ভাবছে বসে করেছি অনেক পাপ
খোদাতালা ও প্রভু কৱে দেও আমাৱ মাফ ঐ পাৱেতে জায়গা দিও কৱি আজ মোনাজাত
পরকালে এই গুনাগার সাউনিৱে কইরা দিও নাজাত
সারাংশ ও ভূমিকা :-
কবি কে , এম তোফাজল হোসেন জুয়েল বিশ্লেষণ করেছেন পরকীয়ার মতো ব্যভিচার নিয়ে আল্লাহর সতর্কবার্তা জাৱি করেছেন । আমাদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন যে গতিতে এগুচ্ছে, ঠিক একই গতিতে ভাঙছে সামাজিক ও পারিবারিক জীবন। অর্থনৈতিক জটিলতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সামাজিক জটিলতা।নব্বইয়ের দশক থেকেই মূলত আমাদের দেশের পরিবারগুলো ছোট থেকে শুরু করে, আর এখন? বড় শহরগুলোতে পরিবার টিকছেই না। বিয়ে ভেঙে যাওয়া এখন যেন ট্রেন্ড।কিন্তু কেন? একটাই উত্তর-পরকীয়া।একটা সময় ছিল যখন বিয়েতে নাচ-গান ছিল ফিল্মি একটা ব্যাপার, বর্তমানে বিয়ের আগে সবাই আয়োজন করে নাচ শেখে, বিয়ের দিন পারফর্ম করে।অর্থাৎ ফিল্মি ব্যাপারগুলো এখন দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে গেছে। ঠিক একইভাবে পরকীয়াও এখন আর শুধু ফিল্মে বা নায়ক-নায়িকাদের জীবনে সীমাবদ্ধ নেই, ছড়িয়ে পড়েছে সমাজের সর্বস্তরে।পরকীয়া একটি সমাজ বিধ্বংসী বিকৃত মানসিকতা। পরকীয়ার জেরে স্বামী স্ত্রীকে খুন করছে। স্ত্রী স্বামীকে খুন করে খাটের নিচের মেঝেতে পুঁতে রাখছে। পরকীয়ার মোহে খুন হচ্ছে সন্তান। এমনকি পরকীয়ায় লিপ্ত মসজিদের ইমাম সাহেব খুন করে এসে ফজরের নামাজে ইমামতি করছেন।তারপরও এ সমস্যাকে যদি আপনারা শুধুই পত্রিকার কাটতি বাড়ানোর খবর মনে করে এড়িয়ে যান তবে এ বিপদ আমাদের সবার জন্যই অপেক্ষা করছে। আর যদি এটাকে আমরা বড় সামাজিক সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন, তবে এর থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় আমাদের ব্যক্তি জীবনে ধর্মীয় তথা ইসলামিক মূল্যবোধকে জাগ্রত করা।সূরা নূরের ৩০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা পুরুষদের দৃষ্টি সংযত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর ৩১ নম্বর আয়াতে নারীদের তাদের দৃষ্টি সংযত রাখার পাশাপাশি পরপুরুষের সামনে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ করতে নিষেধ করেছেন। স্ত্রীর সৌন্দর্য স্বামীকে তার প্রতি আনুরাগী করলে সংসারের শান্তিই বাড়বে। পক্ষান্তরে নারীর সৌন্দর্য তার স্বামী ছাড়া অন্যকে আকর্ষণ করলে তা কেবল অশান্তিই বাড়াবে।
ইসলামে পরকীয়া ও অবৈধ সম্পর্ক থেকে নারী-পুরুষকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কোনো নারীর পরপুরুষের সঙ্গে কথা বলা উচিত নয়। সূরা আহজাবের ৩২ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা নারীদের পরপুরুষের সঙ্গে কোমল ও আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে কথা বলতে নিষেধ করেছেন। যাতে নারীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কোনো পুরুষ আকর্ষণবোধ না করেন। যদিও এ আয়াতটি নবীর স্ত্রীদের উদ্দেশ্য করে নাজিল হয়েছিল, তবে তা সব মুমিনের বেলায় প্রযোজ্য।সূরা বনি ইসরাইলে আল্লাহ পুরুষ-নারী সবাইকে চরিত্র সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না। এটা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট আচরণ। ‘ (সূরা বনি ইসরাইল, ৩২)সূরা নূরে ব্যভিচারের শাস্তি উল্লেখ করতে গিয়ে আল্লাহ বলেন, ‘ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণী উভয়কে একশ ঘা করে বেত্রাঘাত কর। ’ (সূরা নূর, ২)
রাসুলুলুল্লাহ (সা.) ব্যভিচারের ভয়ানক শাস্তির কথা বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘হে মুসলমানরা! তোমরা ব্যভিচার পরিত্যাগ কর। কেননা এর ছয়টি শাস্তি রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি দুনিয়াতে ও তিনটি আখেরাতে প্রকাশ পাবে। যে তিনটি শাস্তি দুনিয়াতে হয় তা হচ্ছে, তার চেহারার ঔজ্জ্বল্য বিনষ্ট হয়ে যাবে, তার আয়ুষ্কাল সংকীর্ণ হয়ে যাবে এবং তার দারিদ্র্য চিরস্থায়ী হবে। আর যে তিনটি শাস্তি আখেরাতে প্রকাশ পাবে তা হচ্ছে, সে আল্লাহর অসন্তোষ, কঠিন হিসাব ও জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে। ‘ (বায়হাকি, হা নম্বর-৫৬৪)স্ত্রীদের তাদের দেবরের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ করার ক্ষেত্রেও সাবধনতার বিধান রেখেছে। হজরত উকবা ইবনে আমের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘সাবধান! তোমরা নির্জনে নারীদের কাছেও যেও না। ’ এক আনসার সাহাবি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! দেবর সম্পর্কে আপনার নির্দেশ কী? নবীজি (সা.) বললেন, ‘দেবর তো মৃত্যুর সমতুল্য। ’ (মুসলিম, ২৪৪৫)তাহলে বুঝতেই পারছেন ইসলাম সর্বক্ষেত্রে পরকীয়ার মতো ব্যভিচার থেকে বিরত থাকতে বলেছে। এর বিপরীতে কঠিন শস্তির বিধান রেখেছে। আল্লাহ আমাদের জৈবিক চাহিদা, স্বাভাবিক প্রবৃত্তি আর শয়তানের প্রলোভন সব বিষয়ে অবগত। তাই তার দেওয়া বিধানের পরিপূর্ণ অনুসরণ আমাদের জীবনকে করবে সহজ ও সাবলীল। আসুন আমরা সেই চেষ্টা করে যাই। আল্লাহ আমাদের সবার পারিবারিক জীবনকে হেফাজত করুক।পর্দার কথা প্রথম মাথায় এলেই একজন নারীর অবয়বের কথা মনে চলে আসে। এমন একটা ধারণা আমাদের মধ্যে প্রচলিত যে পর্দা কেবল নারীর একার পালনের বিষয়। শরিয়তে কি তাই বলা আছে? অথচ কুরআনে প্রথম পুরুষদের পর্দা করতে বলা হয়েছে। সূরা নূরের ৩০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘(হে নবী! আপনি) মুমিন (পুরুষদের) বলে দিন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নিচু করে এবং লজ্জাস্থানের হিফাজত করে, এটা তাদের জন্য অধিকতর পবিত্র। তারা যা কিছু করে আল্লাহ সে বিষয়ে অবগত।’ অথচ আমাদের সমাজে পুরুষদের পর্দার ব্যাপারে এত আলোচনা নেই। একটি সমাজে কেবল নারী পর্দা করলেই হয়ে যাচ্ছে না, বরং সুস্থ সমাজের জন্য পুরুষদেরও পর্দা করতে হবে। মহান আল্লাহ নারীদের পর্দার আগে পুরুষদের পর্দা করতে বলেছেন। এটার বিশেষ তাৎপর্য অবশ্যই রয়েছে।সমাজের বেশির ভাগ ধর্ষণ, পরকীয়ায় দেখা যায় পুরুষ সমাজই অগ্রগামী। ফলে পুরুষদের দৃষ্টিকে সংযত রাখা, লজ্জাস্থানের হিফাজত রাখা এসব ধর্ষণসহ বিভিন্ন অশ্লীলতা অনেকাংশে হ্রাস করবে। বুরায়দা রা: কর্তৃক বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সা: একবার হজরত আলী রা:কে বলেন, ‘হে আলী! তুমি দৃষ্টির পর দৃষ্টি ফেলো না। হঠাৎ অনিচ্ছাকৃতভাবে যে দৃষ্টি পড়ে তার জন্য তুমি ক্ষমা পাবে। কিন্তু পরবর্তী দৃষ্টি তোমার জন্য বৈধ নয়। (আহমদ, তিরমিজি, আবু দাউদ, দারেমি, মিশকাত : ৩১১০) এই হাদিসে স্পষ্ট, ইচ্ছাকৃতভাবে কারো দিকে তাকানোর বিধান শরিয়তে নেই। আর শরিয়তের এই হুকুম যদি আমরা মান্য করি, তাহলে ধর্ষণ, পরকীয়া, ইভটিজিং নামক পাপগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখা সম্ভব।তবে নারীদেরও দায়িত্ব রয়েছে। মহান আল্লাহ তায়ালা সূরা নূরের পরের আয়াতেই নারীদের কর্তব্য বলে দিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা সূরা নূরের ৩১ নম্বর আয়াতে বলেন, ‘এবং (হে নবী! আপনি) ঈমানদার নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নিচু রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হিফাজত করে। তারা যেন যা সাধারণত প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষদেশে ফেলে রাখে; এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত দাসী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ছাড়া কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজসজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা করো, যাতে তোমরা সফলকাম হও।’
এ ছাড়া হজরত মুহাম্মদ সা: ইরশাদ করেন, ‘দুই শ্রেণীর মানুষ জাহান্নামের অধিবাসী যাদের আমি দেখিনি, তারা ভবিষ্যতে আসবে। প্রথম শ্রেণী অত্যাচারীর দল যাদের সাথে থাকবে গরুর লেজের মতো চাবুক যা তারা লোকদেরকে প্রহার করবে। আর দ্বিতীয় শ্রেণী হলো সে নারীর দল যারা কাপড় তো পরিধান করবে কিন্তু তারা উলঙ্গ, নিজেরা অন্যদের প্রতি আকৃষ্ট এবং অন্যদেরও তাদের প্রতি আকৃষ্ট করবে, যাদের মস্তক (খোঁপা বাঁধার কারণে) উটের হেলে যাওয়া কুঁজের মতো হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না। তার গন্ধও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধ এত এত দূরবর্তী স্থান থেকেও পাওয়া যাবে।’ (মুসলিম : ২১২৮)কোনো নারী যদি তার নিজের দৃষ্টিকে নিচু রাখে, নিজের সৌন্দর্যকে প্রকাশ না করে, শালীনতা বজায় রাখে তাহলে সেখানে ধর্ষণ, পরকীয়ার মতো ঘৃণ্য পাপগুলো সংঘটিত হওয়ার সুযোগই নেই। তবে বর্তমানে আমাদের সমাজে সমস্যা হলো ইসলামের এই নিয়মকানুনকে সেকেলে বলে আধুনিকতার নাম নিয়ে যে দিকে পা বাড়াচ্ছি, তাতেই কেবল বিপদ বাড়ছে। অথচ, ইসলাম এখানে সহজ সমাধান নিয়ে এসেছে। কোনো পুরুষ যদি পর্দা করে তাহলে সে যেমন কোনো নারীর দিকে তাকানোকে পাপ মনে করবে, অপর দিকে কোনো নারী যদি পর্দা করে তা হলে সে নিজেকে সংযত রাখবে। এ ক্ষেত্রে ধর্ষণ, পরকীয়ার মতো ঘৃণ্য কাজগুলো সংঘটিত হওয়ার কোনো অবকাশ থাকবে না। এখন আমাদের সমাজে ধর্ম মানার বালাই নেই। ফলে সমাজে ধর্ষণের সংখ্যা বাড়ছে। ধর্ষণকারীরা কোনো না কোনো ধর্মের অনুসারী। ধর্ষকরা তার নিজ ধর্মকে, নিজ ধর্মের সিদ্ধান্তকে অবমাননা করেছে। পরকীয়ার ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে। পরকীয়াতেও প্রথমে যা লঙ্ঘন হয় তা পর্দার বিধান। আর এর কুফল ব্যক্তি নিজেও যেমন দুনিয়া এবং আখেরাতে ভোগ করে, তেমনি তাদের পরিবারেও নেমে আসে অশান্তি। পরকীয়া সম্পর্কে যখন কেউ জড়ায়, সংসার থেকে মনোযোগ উঠে যায়। একটা দায়সারা ভাব হয়। শিশুদের যতে বা সংসারের প্রতি মনোযোগে অনীহা চলে আসে। বাবা কিংবা মায়ের পরকীয়া সন্তানের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। ফলে বেশির ভাগ সময়ই সন্তানের স্বাভাবিক বিকাশ ঘটে না, ভুল পথে পা বাড়ায়। এভাবেই সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।আমাদের সমাজে নারীর পর্দা নিয়ে অনেক কথা হয়। কিন্তু সে অনুপাতে পুরুষের পর্দা নিয়ে কথা হয় না। অথচ শরিয়তে, কোন কোন পুরুষের সামনে শালীনতা বজায় রেখে যাওয়া যাবে তা যেমন বলা আছে, তেমনি একজন পুরুষ কোন কোন নারীর সামনে যেতে পারবে তাও বলা আছে। এক দিকে কোনো নারী যদি যথাযথ পর্দা ছাড়া বের হন, তখন ওই নারীকে ইভটিজিং কিংবা ধর্ষণের সুযোগ শরিয়তে রাখেনি। অপর দিকে, নারীদের দায়িত্ব হলো অধিকতর সময় ঘরে অবস্থান করা। নারীদের বাইরে যেতে হলেও যথাযথভাবে পর্দার নিয়মনীতি মেনেই বের হওয়া। আর নারী-পুরুষ উভয়ই যদি পর্দা পালন করে, তবে সমাজ থেকে অনেক অপরাধ দূর হয়ে যাবে। আর এতেই এক দিকে যেমন সমাজ হয়ে উঠবে সুস্থ ও আদর্শ, তেমনি আমাদের আখেরাতও হবে সুন্দর, ইনশা আল্লাহ।